গাইবান্ধার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রধান

নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত শেষ করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি

মৌখিক পরীক্ষা শুরু ও নিয়োগ কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি দেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারি প্রধান পদে নিয়োগের জন্য ৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষার লিখিত ধাপে উত্তীর্ণ ভাইভা প্রত্যাশী শিক্ষকরা এই স্বারকলিপি দেন।

আজ মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর এই স্বারকলিপি দেওয়া হয়। স্বারকলিপি পেয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, বিষয়টি সরকারের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে স্বারকলিপি পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

স্বারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সিংহভাগই বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, বর্তমানে যোগ্য ও স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক প্রধানের অভাবে দেশের প্রায় সাড়ে ১২ হাজার ৯৫১টি বেশি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। স্থায়ী প্রতিষ্ঠান প্রধান না থাকায় ভারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মাধ্যমে জোড়াতালি দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে, যা আপনার দূরদর্শী 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বিনির্মাণের লক্ষ্যের সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

এই সংকট নিরসনে চলতি বছরের গত ১৮ এপ্রিল ৮ম এনটিআরসিএ (প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান) নিয়োগ পরীক্ষার আয়োজন করা হয়।  অনুষ্ঠিত এমসিকিউ পরীক্ষায় সারা দেশে মোট ৪৮ হাজার ৯৪৬ জন প্রার্থী অংশ নেয়। পরবর্তীতে ২২ এপ্রিল ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে  মোট ১৪ হাজার ৯৪২ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। 

কিন্তু দুঃখের বিষয়, ফলাফল প্রকাশের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো চূড়ান্ত মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় দীর্ঘদিনের এই ধীরগতি ও অনিশ্চয়তার কারণে উত্তীর্ণ হাজারো মেধাবী চাকরিপ্রার্থীর মনে চরম হতাশা বিরাজ করছে।

ভাইভা প্রত্যাশী শিক্ষকদের দাবি, স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্তভাবে সম্পন্ন হওয়া এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করা প্রয়োজন। তাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা দ্রুত আয়োজনের জন্য কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবিও জানান তারা।