গবেষণায় ঢাকার চেয়ে ২৫ বছর পিছিয়ে চট্টগ্রাম

দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি চট্টগ্রাম। শিল্প-বাণিজ্য এবং সমুদ্রবন্দরের সুবাদে জাতীয় অর্থনীতিতে এ অঞ্চলের অবদান অনস্বীকার্য। তবে অর্থনৈতিক গুরুত্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা, বিজ্ঞানচর্চা এবং গবেষণায় কী এগোতে পেরেছে বন্দরনগরী!

স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পরও কেন চট্টগ্রামের শিক্ষাব্যবস্থার প্রত্যাশিত বিস্তার ও মানোন্নয়ন হয়নি? উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সীমাবদ্ধতা কোথায়? তরুণদের সামনে কী ধরনের সুযোগ আর চ্যালেঞ্জ? ভবিষ্যতের সম্ভাবনাই-বা কতটা উজ্জ্বল?এসব বিষয় নিয়ে দেশ রূপান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান।

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দেশ রূপান্তরের স্টাফ রিপোর্টার মিনহাজ তুহিন

দেশ রূপান্তর : চট্টগ্রামকে দেশের অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু বলা হয়। কিন্তু শিক্ষার সার্বিক মানে কতটুকু এগিয়েছে বন্দরনগরী? এখানকার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

ড. আদনান মান্নান : স্বাধীনতার ৫০ বছরেরও বেশি সময় পার হলেও শিক্ষায় আশানুরূপ অগ্রগতি হয়নি চট্টগ্রামে। ঠিক যতটুকু এগিয়ে যাওয়ার কথা, আমরা ততটুকু এগোতে পারিনি। ঐতিহ্যবাহী স্কুলগুলো এখন আর আগের মতো ভালো করছে না।

এর পেছনে বেশ কয়েকটি মৌলিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, চট্টগ্রামের শিক্ষাব্যবস্থা অতিমাত্রায় কোচিং ও প্রাইভেট টিউটর নির্ভর হয়ে পড়েছে। স্কুলগুলোর মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে, তারা কেবল অতীত ঐতিহ্য আর ব্র্যান্ড ইমেজ দিয়েই পার পেয়ে যাবে! সরকারি স্কুলগুলোতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত শিক্ষার্থী। গাদাগাদি করে বসিয়ে ক্লাস নেওয়া হয়। যথাসময়ে সিলেবাস শেষ হয় না। বিশেষ করে গণিত ও বিজ্ঞানের মতো বিষয়ে মানসম্মত শিক্ষা নেই।

দ্বিতীয়ত, শিক্ষকদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার বিষয়টি মারাত্মকভাবে উপেক্ষিত। অনেক স্কুলে শিক্ষকদের বেতন শুরু হয় গড়ে আট হাজার টাকায়। জাতিকে উন্নত করতে হলে সবার আগে শিক্ষকদের আর্থিক সচ্ছলতা নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের চেয়েও স্কুলশিক্ষকের গুরুত্ব সরকারের কাছে বেশি হওয়া উচিত। শহরের বাইরে গ্রামের স্কুলগুলোর অবস্থা আরও করুণ।

দেশ রূপান্তর : চট্টগ্রামে তরুণদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চার আগ্রহ এবং সার্বিক পরিবেশ আপনি কীভাবে দেখছেন?

ড. আদনান মান্নান : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া তরুণদের মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। কিন্তু আমরা তাদেরকে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা দিতে পারছি না। অন্যদিকে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ দিন দিন কমছে। প্রচলিত বিষয়ের বাইরে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, মাইক্রোবায়োলজি বা মেরিন সায়েন্সের মতো অনুসন্ধিৎসু বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের পড়ার স্বপ্ন বা ইচ্ছা খুব একটা নেই। সবাই এখন কম্পিউটার সায়েন্স ও ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পেছনে ছুটছে। ঢাকায় বা উন্নত বিশ্বে সামার ক্যাম্প, সায়েন্স ক্যাম্প বা নানা প্রাইভেট ল্যাবরেটরির মাধ্যমে ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাদের বিজ্ঞানকে উপভোগ করতে শেখানো হয়। চট্টগ্রামে এমন উদ্যোগ সরকারি বা বেসরকারি; কোনোভাবেই নেই। ফলে বিজ্ঞানের মতো আনন্দময় একটা বিষয়কে মুখস্থবিদ্যা ও পরীক্ষাকেন্দ্রিক বানিয়ে ফেলা হয়েছে। যা শিক্ষার্থীদের মনে ভয় তৈরি করছে। তবে আশার কথা, সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চুয়েট ও সিভাসুতে অত্যন্ত আধুনিক কয়েকটি ল্যাবরেটরি চালু হয়েছে। যেখানকার শিক্ষার্থীরা কাজ করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের তুলে ধরছে।

দেশ রূপান্তর : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়সহ এখানকার অন্যান্য সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার বর্তমান অবস্থা কেমন? এখান থেকে বিশ্বমানের উদ্ভাবন না হওয়ার অন্তরায়গুলো কী?

ড. আদনান মান্নান : ২০১৫-১৬ সাল পর্যন্ত এটা খুবই হতাশাজনক ছিল। চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে খুব বেশি গবেষণাগার ছিল না। উন্নত গবেষণাগার তো ছিলই না। ২০১৯-২০ সালের পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, চুয়েট ও সিভাসুতে কয়েকটি আধুনিক ল্যাবরেটরি হয়েছে। কিন্তু আমরা যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের গবেষণার সাথে তুলনা করি; তবে চট্টগ্রাম ভৌগোলিক বৈষম্যের কারণে অন্তত ২৫ বছর পিছিয়ে আছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে জাতীয় পর্যায়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী এবং স্থানীয় রাজনীতিবিদরা কখনো ভাবেননি, চট্টগ্রামের স্থানীয় কোনো সংকটের সমাধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষকদের দিয়েই করানো সম্ভব। উন্নত বিশ্বে যেকোনো মহামারিতে কিংবা স্থানীয় সমস্যায় মেয়র বা সরকার প্রধানরা প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় গবেষকদের পরামর্শ নেন। আমাদের দেশে রাজনীতিবিদরা গবেষকদের মূল্যায়ন করতে শেখেননি।

তবে দুঃখের ব্যাপার, চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একেবারেই বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী নয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রথম সমস্যা হচ্ছে শিক্ষকদের যথোপযুক্ত বেতন দেওয়া হয় না। দ্বিতীয়ত, শিক্ষকদের এত বেশি ক্লাস বা পাঠদান নিয়ে ভারাক্রান্ত করে রাখা হয়; শিক্ষকরা গবেষণার সময়ও পান না! তৃতীয়ত, গবেষণার জন্য খুব একটা অর্থ বরাদ্দ নেই। অথচ এসব বিশ্ববিদ্যালয় বিপুল পরিমাণ আয় করছে। চতুর্থত, চট্টগ্রামে গবেষণাধর্মী বিষয়গুলোর বিষয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আগ্রহ খুবই কম। তারা বিবিএ, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ল, ইংরেজিএই চারটি বিভাগ এবং কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নজর বেশি। যেগুলোর ল্যাবরেটরিতে খুব বেশি টাকা খরচ করতে হয় না। গবেষণাধর্মী মাইক্রোবায়োলজি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, বায়োটেকনোলজি, ফরেস্ট্রি, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সএসব বিষয়ে তারা একেবারেই উদাসীন।

দেশ রূপান্তর : জাতীয় বিজ্ঞান সপ্তাহ বা মেলাগুলোতে চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বা সাফল্য তেমন চোখে পড়ে না কেন?

ড. আদনান মান্নান : এটি মেধার ঘাটতি নয়, চর্চা ও সুযোগের অভাব। জাতীয় বিজ্ঞান মেলায় আমাদের শিক্ষার্থীরা যেসব প্রজেক্ট নিয়ে আসে, সেগুলোর বেশিরভাগই কপি-পেস্ট করা কিংবা শিক্ষকদের তৈরি করে দেওয়া। এতে তাদের নিজস্ব মেধার কোনো প্রতিফলন থাকে না। কারণ স্কুলগুলোতে বিজ্ঞান বলতে যা শেখানো হয়, তা কেবল মুখস্থবিদ্যা নির্ভর। অভিভাবকরাও চান সন্তান পরীক্ষায় শুধু জিপিএ-৫ বা ভালো ফল করুক। কিছু শিখুক বা উদ্ভাবন করুকএমন ভাবনা তাদের থাকে না।

দেশ রূপান্তর : ল্যাবরেটরি, ফান্ডিং নাকি দিকনির্দেশনা; কোন জায়গাটিতে গবেষকরা সবচেয়ে বেশি থমকে যাচ্ছেন?

ড. আদনান মান্নান : প্রতিটি প্রতিবন্ধকতাই চট্টগ্রামে প্রকট। প্রথমত, ঢাকার মতো চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিকমানের কোনো প্রাইভেট রিসার্চ ফাউন্ডেশন বা ল্যাবরেটরি নেই। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও পর্যাপ্ত আর্থিক বরাদ্দ দেওয়া হয় না। দ্বিতীয়ত, দিকনির্দেশনা বা ‘গুরু-শিষ্য পরম্পরা’র ঘাটতি রয়েছে। একজন সফল গবেষকের হাত ধরে পরবর্তী প্রজন্মের গবেষক তৈরি হওয়ার সংস্কৃতি এখানে গড়ে ওঠেনি। তদুপরি, পরিকাঠামোগত অনেক বাস্তব সমস্যা রয়েছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও পানির অভাব, যাতায়াত সংকট এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে আমাদের নারী গবেষকরা বিকেলের পর ল্যাবে কাজ করতে পারেন না। ফলে ২৪ ঘণ্টা গবেষণার আবহ তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে না।

দেশ রূপান্তর : অলিতে-গলিতে খেলাধুলা বা সাংস্কৃতিক ক্লাব গড়ে উঠলেও বিজ্ঞান ক্লাব গড়ে উঠছে না কেন?

ড. আদনান মান্নান : এর পেছনে সামাজিক স্বীকৃতি ও অর্থায়নের বড় ভূমিকা আছে। খেলাধুলা বা সঙ্গীতে এক ধরনের উজ্জ্বল গ্ল্যামার আছে। বড় ধরনের মঞ্চ ও অর্থনৈতিক স্বীকৃতি আছে। টেলিভিশনে বা ফেসবুকে একজন তরুণ ফুটবলার বা গায়কের যে জনপ্রিয়তা তৈরি হয়; একজন বিজ্ঞানের তরুণের তা হয় না। ফলে তরুণেরা সেদিকেই ধাবিত হচ্ছে।

তাছাড়া বিজ্ঞান ক্লাব পরিচালনায় অভিভাবক বা সমাজের কোনো সহায়তা নেই। প্রতিটি ইভেন্টের খরচ নিজের পকেট থেকে জোগাতে হয়। কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞানমেলায় স্পন্সর করতে চায় না। কিন্তু কনসার্ট বা খেলার আয়োজনে কোটি টাকা ঢালতে প্রস্তুত। উপরন্তু, সরকারি নিবন্ধনের জটিলতা এবং মিলনায়তন ভাড়ার চড়া দামের কারণে তরুণদের পক্ষে বিজ্ঞান ক্লাব টিকিয়ে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

দেশ রূপান্তর : চট্টগ্রামের বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো কি গবেষক তৈরিতে ভূমিকা রাখছে?

ড. আদনান মান্নান : এটি চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতার জায়গা। চট্টগ্রামে দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পপতিরা বসবাস করেন। কিন্তু তারা কেবল গতানুগতিক ব্যবসা যেমন পোশাকশিল্প, সিমেন্ট কিংবা খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণেই বিনিয়োগ করেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সাথে ইন্ডাস্ট্রি বা শিল্পখাতের কোনো সমন্বয় তৈরি হয়নি।

চট্টগ্রাম থেকে ক্যানসার ও জেনেটিক পরীক্ষার জন্য বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকা ভারতে চলে যাচ্ছে। অথচ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় শিল্পপতিরা যদি এখানে আধুনিক ডায়াগনস্টিক বা রিসার্চ সেন্টার গড়ে তুলতেন; তবে তা ব্যবসা সফল হতো এবং সমাজেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতো। বিজ্ঞানের উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে যে নতুন বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান তৈরি করা যায়; সে বিষয়ে আমাদের উদ্যোক্তাদের কোনো আগ্রহ নেই।

দেশ রূপান্তর : আগামীর চট্টগ্রামকে শিক্ষা ও বিজ্ঞানচর্চায় আপনি ঠিক কেমন রূপে দেখতে চান?

ড. আদনান মান্নান : আমি স্বপ্ন দেখি, ২০৫০ সালের মধ্যে চট্টগ্রামের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় গর্ব করে বলবে, তাদের অন্তত তিনটি নিজস্ব উদ্ভাবন এবং ১০টি মৌলিক গবেষণা দেশের মানুষের কাজে লাগছে। এমন অন্তত ১০টি মানসম্মত স্কুল তৈরি হবে, যেখানে প্রাইভেট টিউশনের ওপর নির্ভর না করেই ভালো শিক্ষা পাওয়া যাবে। এছাড়া শিক্ষকদের চিকিৎসক বা ব্যাংকারদের মতো সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্মান দেওয়া হবে।

বাংলাদেশের বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণার মূল কেন্দ্রবিন্দু কেবল ঢাকাকেন্দ্রিক থাকবে না। আমরা চাই সাগর, বন, কৃষি ও স্বাস্থ্য গবেষণায় নেতৃত্ব দেবে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামের তরুণ গবেষকরা নাসার মতো প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করবে এবং বিশ্বমঞ্চে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দেবেএমন পরিবেশই আমরা দেখতে চাই।

দেশ রূপান্তর : সব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও চট্টগ্রামের তরুণ গবেষকদের উদ্দেশে আপনার পরামর্শ কী?

ড. আদনান মান্নান : প্রথমত, প্রাতিষ্ঠানিক হীনমন্যতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটে পড়লেই যে কেউ ভালো গবেষক হবে আর অন্য কোথাও পড়লে হবে না, এই ধারণা ভুল। মেধা ও ভালো আইডিয়া থাকলে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্ত থেকেই নিজেকে মেলে ধরা সম্ভব।

দ্বিতীয়ত, শুধু উন্নত বিশ্বের ট্রেন্ডি গবেষণা না করে আমাদের নিজেদের সমাজের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। জলাবদ্ধতা, ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া বা স্থানীয় স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে মৌলিক কাজ করলে সরকারও অনুপ্রাণিত হবে। মনে রাখতে হবে, চট্টগ্রাম থেকে সমস্ত পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে লড়াই করেই আমাদের শিক্ষার্থীরা আজ হার্ভার্ড, এমআইটি ও অক্সফোর্ডে সুযোগ পাচ্ছে। তাই শত প্রতিকূলতার মধ্যেও হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না।