নাগরিক সেবা নিশ্চিতে চাই ‘নগর সরকার’

ডা. শাহাদাত হোসেন

মেয়র, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

একটি নগরীর সকল উন্নয়ন ও সেবা কর্মকান্ড একসাথে মনিটরিংয়ের জন্য সিটি গভর্নমেন্টের (নগর সরকার) কোনো বিকল্প নেই। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও বলেছি, এই কনসেপ্টের কথা। আমাদের সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়ার সাথে লন্ডনে বৈঠকের সময়ও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। নগর সরকারের প্রধান যিনি থাকবেন তার অধীনে সিটি পুলিশসহ নগরীর সব সেবা ও উন্নয়ন সংস্থা থাকবে।

যেমন ধরুন, ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের পর সেখানে আবারও হকাররা বসে পড়েন। এটি দেখার দায়িত্ব কার? যদি ‘নগর সরকার’ থাকতো তাহলে সিটি কর্পোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট উচ্ছেদ করার পর ওই জায়গা রক্ষার দায়িত্বে নগর পুলিশ থাকতো।

আমরা নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য এআই বেইজড ক্যামেরা বসাচ্ছি। প্রাথমিকভাবে সাগরিকা ও টাইগারপাস এলাকার ৫৩ পয়েন্টে ওই ট্রাফিক সিস্টেম চালু করবো। পরবর্তীতে সারা শহরে বাস্তবায়ন করা হবে।

একইসাথে বাস কাউন্টারগুলোকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনার দায়িত্ব বিআরটিএ’র। এখানেও নগর সরকারের বিষয়টি ওঠে আসে। আমরা বন্দরকেন্দ্রীক যানজট নিরসনের জন্য ৩ থেকে ৪ স্থানে ট্রাক টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি।

অপরদিকে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে আমরা আবারো ‘েডার টু ডোর’ প্রকল্প চালু করতে যাচ্ছি। এর আগে প্রথমবার প্রকল্পটি চালুর পর টাকা নেওয়ার কারণে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

এবার বিনা পয়সায় বর্জ্য সংগ্রহ করবো। এর ফলে দিনে উৎপাদিত ৩ হাজার ২০০ মেট্রিক টন বর্জ্যরে ২২০০ টন সংগ্রহ করা হলেও বাকি এক হাজার টনও সংগ্রহের আওতায় চলে আসবে।