জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় কিউশু অঞ্চলে আঘাত হানা ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পের পর থেকে শতাধিকের বেশি আফটারশক বা পরাঘাত অনুভূত হয়েছে। এতে এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন অন্তত ১৩ জন। গতকাল বুধবার বিবিসি জানিয়েছে, কুমামোতো প্রিফেকচারের একটি পেপার মিল ও একটি শপিংমলের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকেপড়া জীবিতদের সন্ধান চলছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেছেন, ‘এটি মূলত সময়ের বিরুদ্ধে এক লড়াই। এখনো অনেকে উদ্ধারের অপেক্ষায় আছেন। আমরা মাঠপর্যায়ে সব ধরনের সক্ষমতা কাজে লাগাচ্ছি’।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমিকম্পের প্রভাবে রাস্তা ফেটে গেছে এবং সেতু ও বেশ কয়েকটি ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ভূমিকম্পের পর ট্রেন চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে হাজারো বাড়ি। জাপান মেটিওরোলজিক্যাল এজেন্সি (জেএমএ) বাসিন্দাদের শক্তিশালী আফটারশকের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির এক কর্মকর্তা বলেন- আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে, বিশেষ করে আগামী দুই থেকে তিন দিন সর্বোচ্চ ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প হতে পারে বলে মানুষকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হচ্ছে।