গত ২৪ জুলাই দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতায় ‘বছরে শতকোটি টাকা প্রভাবশালীর পকেটে’ শিরোনামে খবরের সংশোধনী দেওয়া হয়েছিল ২৮ জুলাই। সেই সংশোধনীর প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও অভিযুক্ত মো. জাহাঙ্গীর আলম ও রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া সংস্থার মাঠ কর্মচারী আলী আজম। প্রতিবাদলিপিতে জাহাঙ্গীর বলেন, ‘আমি গত ৪ ডিসেম্বর ২০০৭ থেকে প্রায় ১৯ বছর চাকরিতে নেই। এরপরও সংশোধনীতে আমার নাম জড়ানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অভিযোগ ভিত্তিহীন।’ একই কথা বলেছেন আলী আজমও।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন সে কথা নিজেই স্বীকার করেছেন জাহাঙ্গীর আলম। তাছাড়া ক্রীড়া পরিষদঘেঁষা জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সে ক্ষমতাসীন দলের কর্মচারী ইউনিয়নের তিনটি গ্রুপ রয়েছে। যারা জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সে নানাভাবে চাঁদাবাজি করে থাকে। বিশ^স্ত সূত্রে জানা গেছে, চাকরিতে বহাল না
থাকলেও কর্মচারীদের তিন গ্রুপের একটি পরিচালিত হচ্ছে জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে। কারণ আদালতের নির্দেশে চাকরি ফিরে পাওয়ার প্রত্যাশায় বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাইরে থেকেই কর্মচারীদের একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। অন্যদিকে ধানম-ির রিয়া গোপ মহিলা ক্রীড়া সংস্থায় চাকরি করলেও প্রায় প্রতিদিনই সময়ভেদে আলী আজম জাতীয় স্টেডিয়ামে চাঁদা তুলতে আসেন বলেও সূত্রে জানা গেছে।