গোপালগঞ্জে ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসাছাত্র আহম্মদ মোল্লাকে (৭) বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ ওঠায় শিক্ষক এনামুল মোল্লাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। আহত ওই শিক্ষার্থী মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। সে মুকসুদপুর উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র। অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার ছেলে। গত বৃহস্পতিবার রাতে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, গত বৃহস্পতিবার কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরি হয়। শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ আনা হয়। তারপর মাদ্রাসার শিক্ষক এনামুল মোল্লা বেধড়ক পিটিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে আহত করে। পরে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন তাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
আহত আহম্মদের বাবা শাওন মোল্যা বলেন, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় আমার ছেলেকে নির্দয়ভাবে বেধড়ক পেটানো হয়েছে। আমি পাষ- শিক্ষক এনামুলের শাস্তি চাই। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক এনামুলের ভাই আমিনুল হক বলেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি, এমনিতেই পড়ে গিয়ে ব্যথা পেয়েছে।