ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১৬৭ এ ধারার অধীনে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ পদ্ধতি ব্যবহার করে আদালতের দেওয়া জামিন কার্যত অকার্যকর করে দেওয়ার প্রবণতা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের উদ্দেশে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। এতে শ্যোন অ্যারেস্ট নিয়ে যথাযথ নির্দেশিকা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়েছে। গতকাল রবিবার আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল, স্বরাষ্ট্র সচিব পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজি) কাছে রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নোটিসটি পাঠানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ‘ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট’ এবং তিনজন আইনজীবী মোহাম্মদ কাউছার, মো. মাকসুদুর রহমান ও মারুফ হাসান তমালের পক্ষে এ নোটিস পাঠান। নোটিসে পাঁচ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। নোটিসে তিনি বলেন, ‘ব্রিটিশ আমল থেকেই জামিনকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের নজির রয়েছে। অথচ আইনের সাধারণ নীতি হলো, জামিনই হবে স্বাভাবিক নিয়ম। কিন্তু বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, একজন ব্যক্তি একটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আবার হেফাজতে রাখছে। এর ফলে আদালতের দেওয়া জামিনের কার্যকারিতা নষ্ট হচ্ছে এবং বিচার প্রার্থীদের সংবিধান-স্বীকৃত মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে।’