সংস্কৃতিতে আঘাত নয়, প্রয়োজন জাতীয় ঐক্যের বার্তা

জুলাই অভ্যুত্থানের সার্বিক প্রত্যাশা কতটা পূরণ হয়েছে, তা পুরো জাতিই মূল্যায়ন করবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, মানুষ অন্তত এখন মন খুলে কথা বলতে পারছে, মতপ্রকাশের মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। যদিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনো কিছু অনভিপ্রেত ও বিশৃঙ্খল আচরণ চোখে পড়ে, তবুও উন্মুক্ত বাকস্বাধীনতার এই সুযোগটি একটি বড় প্রাপ্তি।

আমি যদি আমার সংস্কৃতির জায়গা থেকে বলি, তবে জুলাইয়ের পর এখনকার সময়টিই হচ্ছে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতিকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার শ্রেষ্ঠ সুযোগ। অতীতে বারবার আমাদের শিল্প-সংস্কৃতির ওপর অনাকাক্সিক্ষত আঘাত এসেছে। কিন্তু এখন সেই অচলায়তন ভাঙার সময়। আমি চাই, স্বাধীন ও মুক্ত পরিবেশে আমাদের সংস্কৃতির চর্চা ও বিচরণ আরও বেগবান হোক।

বিগত ১৬-১৭ বছরে যেসব শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মী বিভিন্নভাবে নিপীড়িত ও বঞ্চিত হয়েছেন, তারা সবাই আজ মুক্ত শ্বাস নিতে চান। সময় এসেছে দেশের সব স্তরের শিল্পীদের এক সুতোয় গেঁথে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা করার। বৈষম্য ও শোষণের দিন শেষ করে সবাই মিলে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার এই তো উপযুক্ত সময়, কারণ সবকিছুর ঊর্ধ্বে বাংলাদেশ।