অবিস্মরণীয় এক অভ্যুত্থানের গল্প

সরকারি চাকরিতে কোটা বহাল নিয়ে হাইকোর্টের একটি রায়। প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। তখনো ধারণা করা যায়নি কোথায় যাচ্ছে সেই আন্দোলনের গতিপথ। একপর্যায়ে রায়কে ঘিরেই চলে মৃদু থেকে কঠোর, কঠোর থেকে কঠোরতর স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন। তরুণ মিছিলকারীদের ওপর চলে গুলি। সামাজিক মাধ্যমে শোকের রঙ কালোর বদলে ছড়িয়ে পড়ে দ্রোহের রঙ লাল। তৈরি হয় গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট। ঘোষিত হয় সরকার পতনের এক দফা দাবি। ৩৬ দিনের আন্দোলনে পতন ঘটে আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনামলের। এটি একটি অবিস্মরণীয় গণঅভ্যুত্থানের গল্প।

আজ সেই ৫ আগস্ট। ‘গণঅভ্যুত্থান দিবস’। ‘জুলাই চেতনায় গড়বো দেশ সবার আগে বাংলাদেশ’ এমন প্রতিপাদ্যে জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূতি উদযাপন করা হচ্ছে আজ। স্মরণ করা হবে সেই সব শহীদকে যারা অকাতরে প্রাণ দিয়েছিলেন নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশায়। দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান পৃথক পৃথক বিবৃতি দিয়েছেন।

২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারের একটি পরিপত্রে নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হবে উল্লেখ করে বিদ্যমান কোটাপদ্ধতি বাতিল করা হয়। এ পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট হয়। রুলের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪-এর ৫ জুন রায় দেয় হাইকোর্ট। রায়ে সরকারি চাকরিতে কোটা বহাল থাকে। কিন্তু এ রায় বাতিল চেয়ে পরদিন থেকে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। শুরুতে আন্দোলন ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ, বাংলামোটরকেন্দ্রিক। একটা পর্যায়ে যা ছড়িয়ে পড়ে দেশজুড়ে।

কোটার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর ব্যানারে বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচিসহ সভা-সমাবেশ, অবরোধ শুরু করেন। ২০২৪-এর জুন মাসজুড়ে কমবেশি আন্দোলন চলে। তবে তা তীব্রতর ছিল না।

আন্দোলনের গতি পায় আওয়ামী লীগ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের একের পর এক আক্রমণাত্মক বক্তব্যে। ওই বছরের ১৪ জুলাই তখনকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে বললেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার নাতিপুতিরা কোটা পাবে না তো, কি রাজাকারের নাতিপুতিরা কোটা পাবে?’ এর আগে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন, গুম, ক্রসফায়ার, নিত্যপণ্যের চরম ঊর্ধ্বগতি, দুর্নীতি এসব নানা কারণে ক্রমেই আওয়ামী লীগের ক্ষমতার মসনদ নড়বড়ে হয়ে উঠেছিল। শেখ হাসিনার এই বক্তব্যেই আন্দোলনের গতি চরমে পৌঁছায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা রাতেই এ বক্তব্যের প্রতিবাদে মিছিল নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। ‘তুমি কে আমি কে রাজাকার রাজাকার’, ‘কে বলেছে কে বলেছে স্বৈরাচার স্বৈরাচার’ সেøাগানে মুখরিত হয়ে উঠে ঢাবি ক্যাম্পাস।

১৫ জুলাই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ‘আন্দোলনের জবাব দিতে ছাত্রলীগই যথেষ্ট’ বলে হুংকার দিলে পরিস্থিতি বেসামাল হয়ে পড়ে। ছাত্রলীগ হামলা চালায় ঢাবির শিক্ষার্থীদের ওপর। হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাতেও বাধা দেওয়া হয়। আন্দোলন ছাড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

১৬ জুলাই। চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সহিংস পরিস্থিতির তৈরি হয়। ওই দিন পুলিশের গুলিতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ বুক চিতিয়ে পুলিশের মুখোমুখি দাঁড়ালে আন্দোলন ভিন্ন মাত্রা পায়। আবু সাঈদকে গুলি করার ভিডিও পৌঁছে যায় মানুষের হাতে হাতে। চট্টগ্রামে নিহত হন ওয়াসিম আকরাম। এ দুই হত্যাকা- আন্দোলনের স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে দেয় শিক্ষার্থীদের মাঝে।

১৮ জুলাই ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ১৯ জুলাই ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে গুলিতে মৃত্যুর খবর আসে একের পর এক। এর মধ্যে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট করে সরকার। কারফিউ ঘোষণা করা হয়। যা বুমেরাং হয়ে ওঠে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেয় সাধারণ মানুষ।

২০ জুলাইও চলে হত্যাকা-। একই সঙ্গে শুরু হয় পুলিশের ‘ব্লক রেইড’-এর নামে হয়রানি, গ্রেপ্তার, নির্যাতন। ২২ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় রহিত করে ৭ শতাংশ কোটা রেখে ৯৩ শতাংশ মেধার ওপরে নিয়োগের রায় দেয়। কিন্তু তা আর আন্দোলনকারীদের দমাতে পারেনি।

৩ আগস্ট ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সরকারবিরোধী আন্দোলনের জমায়েতে লোকে লোকারণ্যে পরিণত হয়। ঘোষিত হয় আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ‘এক দফা’ দাবি। ঘোষিত হয় ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়করা ৬ আগস্ট এই কর্মসূচির ডাক দিলেও ৩ ও ৪ আগস্ট দেড়শজনের বেশি আন্দোলনকারীর প্রাণহানিতে সময় এগিয়ে ৫ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়। দিনটিকে তারা ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। শিক্ষার্থীরা বলেছিলেন, শেখ হাসিনার শাসনের পতন না হওয়া পর্যন্ত জুলাই মাস শেষ হবে না। পতন না হওয়া পর্যন্ত তারাও ঘরে ফিরবেন না।

৫ আগস্ট ভোর থেকে সারা দেশ থেকে মানুষ আসতে থাকে ঢাকা অভিমুখে। রাজধানীর প্রবেশমুখগুলোতে জড়ো হয় হাজার হাজার মানুষ। সেনাবাহিনী আর আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে গুলি ছুড়বে না এ বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। স্বতঃস্ফূর্ত মানুষের ঢল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গণভবন অভিমুখে যাত্রার প্রস্তুতি নেয়। দুপুর ২টার কিছু পরে খবর আসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে গেছেন। মুহূর্তেই এ খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা গণভবনে প্রবেশ করে বিজয় উদযাপন শুরু করে। শুধু তাই নয়, অসংখ্য মানুষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও জাতীয় সংসদেও প্রবেশ করে বিজয়ের আনন্দ উপভোগ করে। বিপুল মানুষের আত্মত্যাগ, হাজারো শহীদ, ২০ হাজারেরও বেশি আহত, অগণিত রাজনৈতিক নেতাকর্মীর কারাবরণ, নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনার মধ্য দিয়ে এসেছে এই ঐতিহাসিক দিনটি।

৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সে সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এতে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি সরকার। আবার শুরু হয়েছে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা।

মানবতাবিরোধী অপরাধে ট্রাইব্যুনালে বিচার : শেখ হাসিনা সরকারের পতনের আন্দোলনে সংঘটিত হত্যাকা-, নির্যাতনকে মানবতাবিরোধী অপরাধ আখ্যা দিয়ে বিচারের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। পুনর্গঠন করা হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক প্যানেল, প্রসিকিউশন ও তদন্ত সংস্থা। গত বছরের ১৭ নভেম্বর শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এরপর আরও ৫টি মামলার রায় হয়েছে ট্রাইব্যুনালে। মোট ৬টি রায়ে ১৬ জনের মৃত্যুদ- ও ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদ- দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। বিচারের পর্যায়ে আছে আরও অন্তত ২৭টি মামলা। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতা ও মন্ত্রীদের কয়েকটি মামলা আছে চূড়ান্ত পর্যায়ে। এ ছাড়া আরও কিছু মামলা আছে তদন্তের পর্যায়ে।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির বাণী : মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগ ও প্রত্যাশার বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, জবাবদিহিমূলক ও ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘আসুন, মহান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক, বৈষম্যহীন ও সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি। একই সঙ্গে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্বপ্ন, আদর্শ ও আশা-আকাক্সক্ষা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করি।’

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান, নাফিজ, তাইম, নাঈমা, শিশু রিয়া গোপ ও আহাদসহ আত্মোৎসর্গকারী হাজারো বীর শহীদকে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনে পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাই যোদ্ধাদের প্রতিও গভীর সম্মান ও আন্তরিক সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, ‘তাদের বিরল আত্মত্যাগ, অসীম সাহস ও অসামান্য অবদান জাতি চিরকাল স্মরণ করবে এবং তা অনন্তকাল অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।’

কর্মসূচি : ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে আজ সরকারি ও বেসরকারিভাবে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দুপুর ১২টায় জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল ৬টা ১ মিনিটে শাহবাগের জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। একই সঙ্গে দেশের সব জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও পৌরসভা এবং বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতেও বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভার পাশাপাশি রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মসূচি : জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে নানা উদ্যোগ ও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে ক্যাম্পাসে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে ‘জুলাই কর্নার’ প্রতিষ্ঠা, ঐতিহাসিক স্মারক সংকলন প্রকাশ, গ্রাফিতি সংরক্ষণ, ডকুমেন্টারি প্রদর্শন, আহত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ এবং ১৪ জুলাইকে ‘জুলাই উইমেন্স ডে’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গতকাল বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

নিিদ্র নিরাপত্তা : আজ ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানী ঢাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) নিয়াজ মেহেদী গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ৫ আগস্ট নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্ট ডিউটি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিশেষ করে মহানগরের সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম ও চেকপোস্ট পরিচালনা জোরদার থাকবে।