জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

রাবিতে ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য গণভোজ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আবেদনের প্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ১৯ আবাসিক হলে প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য গণভোজ ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শহীদদের স্মরণ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতির লক্ষ্যে এ আয়োজন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

বুধবার (৫ আগস্ট) প্রভোস্ট কাউন্সিলের সহযোগিতায় এই বিশেষ গণভোজের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রশাসন জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা মোট ১৩ হাজার ৮৩০ জন শিক্ষার্থী এ আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। এর মধ্যে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের ৪৪০ শিক্ষার্থী, শাহ্ মখদুম হলের ৬৬০ জন, নবাব আব্দুল লতিফ হলের ৬২০, সৈয়দ আমীর আলী হলের ৫৫৩, শহীদ শামসুজ্জোহা হলের ৭২০, শহীদ হবিবুর রহমান হলের এক হাজার ২৬২, মতিহার হলের ৮০০, মাদার বখশ হলের ৯৫০, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হলের ৮৫০, শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ৯৯২, বিজয় ২৪ হলের ৮০০ শিক্ষার্থী অংশ নেন।

এছাড়া মন্নুজান হলের ১ হাজার ১২, রোকেয়া হলের ৯২৮, তাপসী রাবেয়া হলের ৫৭০, বেগম খালেদা জিয়া হলের ৬৬০, রহমতুন্নেসা হলের ৭৩৬, জুলাই ৩৬ হলের ১ হাজার ২৪০, বিজয় ৭১ ও শহীদ মীর আব্দুল কাইয়ুম ডরমিটরিতে ৩৭ শিক্ষার্থী এই গণভোজে অংশ নেন। বিশেষ এই গণভোজে শিক্ষার্থীদের জন্য দুপুরের খাবারে পোলাও, মুরগির রোস্ট, ডিম, ডাল মিষ্টি ও কোমল পানীয় পরিবেশন করা হয়।

মতিহার হলের শিক্ষার্থী রাকিব হাসান রাজু বলেন, প্রশাসনের উদ্যোগে হল থেকে আজকে যে খাবার বিতরণ করা হলো তার মান খুবই ভালো ছিল। এমন আয়োজন করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই। সুন্দর রান্নার জন্য রাধুনিকেও ধন্যবাদ জানাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি ও মাদারবক্স হলের প্রভোস্ট ড. শাহ হোসেন আহমেদ মেহেদী বলেন, আমরা মনে করছি শিক্ষার্থীদের সতস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজনটি সার্বিকভাবে সফল হয়েছে।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে সকাল ১০ টায় সিনেট ভবনের সামনে থেকে শোভাযাত্রা, সাড়ে ১০ টায় আলোকচিত্র ও প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী উদ্বোধন করেন উপাচার্য। এরপর সিনেট ভবন চত্বরে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য মিলে বৃক্ষরোপণ করেন,  সকাল ১১টায় সিনেট ভবনে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান তারুণ্যের প্রত্যয়; গণতন্ত্রের অঙ্গীকার ও নতুন বাংলাদেশের অভিযাত্রা' শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বাদ আসর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে দিনব্যপী আয়োজন শেষ হয়।