পাটের বাম্পার ফলনের প্রত্যাশা ডিএই কর্মকর্তাদের

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) কর্মকর্তা ও জেলার পাট চাষিরা এই মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন ও ন্যায্য বাজার মূল্যের প্রত্যাশা করছেন, যা গত বছরের তুলনায় চাষাবাদ বাড়াতে উৎসাহিত করেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) অনুসারে, এই বছর জেলায় ২৩ হাজার ৫১৭ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে-যা গত বছরের ২৩ হাজার ৪৯৮ হেক্টরের চেয়ে ১৯ হেক্টর বেশি এবং ৩ লাখ ১৬ হাজার ৮৯৮ বেল পাট উৎপাদনের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এক সময়ের প্রধান অর্থকরী ফসল পাটের সোনালী ঐতিহ্যকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে কৃষকরা পাট চাষে নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এই উৎসাহের ফলে ফলন ও লাভ উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডিএই কর্মকর্তারা জানান, জেলার তিনটি উপজেলা জুড়ে পাট চাষ করা হয়েছে এবং উপজেলাভিত্তিক এর বিভাজন নিম্নরূপ-নড়াইল সদরে ৬ হাজার ৯৪২ হেক্টর, লোহাগড়া উপজেলায় ১২ হাজার ১৬৫ হেক্টর এবং কালিয়া উপজেলায় ৪ হাজার ৪১০ হেক্টর। জেলার বিভিন্ন অংশেও ৯ হাজার ৮৯৭, জিআরও ৫২৪ এবং বিজেআরআই তোষা-৮-এর মতো উচ্চ ফলনশীল জাতের চাষ করা হয়েছে।

নড়াইলে ডিএইর উপপরিচালক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, জেলার মাটি পাট চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। তিনি বলেন, দেশে ও বিদেশে পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্যের চাহিদা বাড়ছে, যা কৃষকদের আয় ও আগ্রহ বাড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, তিনটি উপজেলায় সোনালি পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কৃষি বিভাগ উপলব্ধ আবাদি জমিতে চাষাবাদকে উৎসাহিত করার জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। সরকারি প্রণোদনার অংশ হিসেবে এই মৌসুমে মোট ৩ হাজার ২০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক বিনামূল্যে এক কেজি বীজ, পাঁচ কেজি ডিএপি ও পাঁচ কেজি এমওপি সার পেয়েছেন।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)