থাইল্যান্ডে কঠোর হচ্ছে অস্ত্র আইন

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে এক কিশোরের গুলিতে আটজন নিহত ও ২২ জন আহত হওয়ার পর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কছোর করার ঘোষণা দিয়েছেন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল। হামলার পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনসমক্ষে আগ্নেয়াস্ত্র বহনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে নতুন আইন করা হবে। দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদের অস্ত্র বহনের অনুমতি দেওয়া হবে। অন্যদের ক্ষেত্রে জনসমক্ষে অস্ত্র বহনে বিধিনিষেধ থাকবে। গতকাল শনিবার বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৪ বছর বয়সী ওই কিশোর প্রথমে তার দাদা ও দাদিকে নিজ বাড়িতে গুলি করে হত্যা করে। পরে ননথাবুরির ডেবসিরিন স্কুলে যায়, যেখানে সে পড়াশোনা করত। সেখানে পাঁচ শিক্ষককে গুলি করে হত্যার পর নিজেও গুলি করে আত্মঘাতী হয়। থাই সংবাদমাধ্যম জানায়, পরে আহত এক শিক্ষার্থীও মারা যায়। থাই পুলিশ কর্নেল থাদসাকর্ন কনথং জানান, হামলায় ব্যবহৃত ৯ মিলিমিটারের পিস্তল ও গুলি হামলাকারির দাদার; পিস্তলটির লাইসেন্স করা ছিল। প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, ‘আমি কেবল ভুক্তভোগীদের জন্য দুঃখিত নই, এমন ঘটেছে বলেও দুঃখিত।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকার সময় আনুতিন বেশ কিছু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন করেছিলেন। এর মধ্যে নতুন অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার ওপর স্বল্পমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা এবং অস্ত্র আমদানিতে বিধিনিষেধও ছিল।