বলিউডের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী কৃতি স্যানন এবার মন খুলে কথা বললেন কাজের জগতে মানসিক সুস্থতা বজায় রাখার গুরুত্ব নিয়ে। বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত এই অভিনেত্রী জানান, ‘মিমি’ ও ‘দো পাত্তি’র মতো সংবেদনশীল সিনেমায় কাজের পরই নিজের আবেগ এবং অভিনয় নিয়ে তার ভাবনায় বড় পরিবর্তন আসে।
এক সাক্ষাৎকারে কৃতি জানান, একসময় তিনি ভাবতেন পর্দার চরিত্রের প্রভাব বাস্তব জীবনে পড়ে না। তবে অভিজ্ঞতা সে ভুল ভেঙে দিয়েছে। তার ভাষ্য, ‘এখন বুঝি, আপাতদৃষ্টিতে প্রভাবহীন মনে হলেও চরিত্রগুলো আমাদের অবচেতন মনে ছাপ ফেলে যায়। শুটিং শেষ হওয়ার দিন কয়েক পর হয়তো আচরণের পরিবর্তন দেখে সেটা বোঝা যায়। তাই চরিত্র থেকে সচেতনভাবে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করা অত্যন্ত জরুরি।’
অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের টানাপড়েনের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এমন অনেক সময় গেছে যখন ব্যক্তিজীবনে আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলাম, কিন্তু ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আমায় হাসির চরিত্রে অভিনয় করতে হয়েছে।’
আবেগ নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করা শিল্পীদের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের পরিচর্যাকে আবশ্যিক মনে করেন কৃতি। ভারসাম্য বজায় রাখতে থেরাপি কিংবা মেডিটেশনের পরামর্শ দিয়ে তিনি জানান, মানসিক প্রশান্তির জন্য তিনি নিজেও মাঝে মাঝেই মেডিটেশন বা ধ্যান করে থাকেন। কৃতি স্যাননকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ককটেল ২’ সিনেমায়।