বিমানবন্দরের সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিতে ৫ প্রস্তাব চিটাগাং চেম্বারের

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছে দ্য চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। চট্টগ্রামকে আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়। 

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে শনিবার (১৫ আগস্ট) এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন চিটাগাং চেম্বারের সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক।

পাঁচ দফাগুলো হলো চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে ২৪ ঘণ্টা, সপ্তাহে সাত দিন পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া।  আন্তর্জাতিক রুটের জন্য ৪০ শতাংশ অগ্রাধিকারমূলক ট্যারিফ নির্ধারণ।  দীর্ঘপথের ফ্লাইটের বিরতির সময় যাত্রী ওঠানামার সুবিধা দেওয়া।  সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে দীর্ঘপথের ফ্লাইটের জন্য ট্রানজিট ও জ্বালানি সরবরাহের সুবিধা নিশ্চিত করা এবং বিমানবন্দর-সংলগ্ন এলাকায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব, বিল্ড ওন অ্যান্ড অপারেট (বিওও) বা বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে কার্গো ভিলেজ ও ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অব ডিজিজ (আইসিডি) বা  ক্রনিক ফ্যাটিগ সিনড্রোম (সিএফএস) স্থাপন করা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চেম্বারের সভাপতি মো. আমিরুল হক বলেন, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, বৃহৎ পাইকারি বাজার, একাধিক রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ অধিকাংশ শিল্প-কারখানা চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত। ফলে চট্টগ্রাম দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ কেন্দ্র। কিন্তু প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা এখনও কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি।

চিটাগং চেম্বার মনে করে, বর্তমান সক্ষমতার মধ্যেই বিমানবন্দরে আরও বেশি যাত্রী ও কার্গো হ্যান্ডলিং, ট্রানজিট এবং সংযোগকারী উড়োজাহাজ চলাচল আকর্ষণের সুযোগ রয়েছে। ঢাকা-কেন্দ্রীক এভিয়েশন ট্রাফিকের ওপর চাপ কমিয়ে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে পূর্ব-পশ্চিম আকাশপথ এবং পর্যটন ও লজিস্টিক প্রবেশদ্বার হিসেবে গড়ে তোলারও সুযোগ রয়েছে।