শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনকে হল সংসদের নেতৃত্বে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীরা।
পরে তাকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তাকে বাঁচাতে হল ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন৷
সোমবার প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে প্রাধ্যক্ষ কার্যালয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে স্লোগান দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ছাত্রদলের হল আহ্বায়ক আবিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন, ইমরান, রাজু এবল কর্মী ওমর ফারুক, রিপন, পার্থ, ফাহিম, মাহবুব প্রিন্স উপস্থিত হলে শিক্ষার্থীদের সাথে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।
একপর্যায়ে প্রোভিসি শিক্ষা অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, প্রোভিসি অধ্যাপক ড. আল মোজাদ্দেদী আলফেসানী প্রাধ্যক্ষ কার্যালয়ের বেলকনিতে আটকা পড়েন। ভারপ্রাপ্ত প্রভোস্ট ইস্রাফিল প্রাং এবং প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল মামুন সিনিয়র এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার মো. মতিয়ার রহমান খানের রুমে আটকা পড়েন।