ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট নিয়ে প্রতিমন্ত্রী

ক্রীড়াঙ্গনের স্থবিরতা কাটিয়ে সার্বিক উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটোরিয়ামে ১৩টি ক্রীড়া ফেডারেশনের এডহক কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সভায় দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বর্তমান পরিস্থিতি, প্রশাসনিক সংস্কার, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি এবং বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সম্পর্কসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয় নিয়েও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, জাতীয় দলের এই সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিকভাবে আনন্দিত। দল দেশে ফেরার পর প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষে ক্রিকেটারদের সংবর্ধনা দেওয়ার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো হবে। বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপড়েন নিয়েও আশার কথা শুনিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ভারতের মাটিতে গত বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ঘিরে যে তিক্ততার সৃষ্টি হয়েছিল, তা নিরসনে কাজ চলছে। এ বিষয়ে এরই মধ্যে ভারতীয় হাইকমিশন এবং দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।’ ক্রীড়া ও রাজনীতিকে আলাদা রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ‘খেলাধুলা সবকিছুর ঊর্ধ্বে। খেলার মাধ্যমে প্রতিবেশী দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাই আমরা। ভবিষ্যতে যেন বাংলাদেশ ও ভারতের মাটিতে নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ আয়োজন করা যায়, সেই লক্ষ্যেই কাজ চলছে।’

ক্রীড়া ফেডারেশনগুলোর প্রশাসনিক সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি জানান, এরই মধ্যে ২৭টি ফেডারেশনের কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। বাকি ফেডারেশনগুলোর কমিটি পুনর্গঠনের কাজও চলছে। শিগগির নতুন কমিটিগুলোর তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে।

আসন্ন সেপ্টেম্বরের এশিয়ান গেমসে পুরনো কমিটির কর্মকর্তাদের থাকা নিয়েও তৈরি হওয়া জটিলতার ব্যাখ্যা দেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, নতুন কমিটিগুলো দায়িত্ব নেওয়ার আগেই এশিয়ান গেমসের দল ও কর্মকর্তাদের নাম নির্ধারণ এবং অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। ফলে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধানে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিবকে সংশ্লিষ্ট ফেডারেশনগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।