প্রায় ২০ ঘণ্টা আটক থাকার পর জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ তিনজন ছাড়া পেয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় সদর মডেল থানা থেকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। অপর দুজন হলেন মির্জা সুমন ও রাকিব। এ সময় তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেয় পুলিশ।
অসহনীয় লোডশেডিং, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের সংকট এবং দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতিকালে তাদের আটক করে পুলিশ।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি জাহিদুল হক জানান, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ‘সর্বস্তরের ছাত্র-জনতার’ ব্যানারে তারা বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেন। বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। কিন্তু প্রশাসনের বাধা উপেক্ষা করে তারা জড়ো হলে ঘটনাস্থল থেকে মাহদীসহ তিনজনকে আটক করা হয়। তাদের নিরাপত্তাজনিত কারণে আটক করা হয়েছিল।
অপরদিকে, পুলিশ হেফাজত থেকে মুক্তি পেয়ে মাহদী হাসান গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘জনগণের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সাংবিধানিক অধিকার বলে আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির আয়োজন করি। পুলিশ নিরাপত্তার অজুহাতে আমাদের আটক করে। বাস্তবে আমাদের নিরাপত্তার জন্য আমাদের আটক করার কথা নয়। যাদের দ্বারা আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তার করার কথা। কিন্তু পুলিশ কাজ করেছে উল্টো।’