দীর্ঘ ৩৫ বছর পর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হলেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংখ্যার সমীকরণে ফল ছিল পূর্বনির্ধারিত। সংসদ অধিবেশন কক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোট ছিল আনুষ্ঠানিকতা, তবে প্রায় তিন যুগ পর দুজন প্রার্থী থাকায় এ নির্বাচন ভিন্নমাত্রা পায়। এতে ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সদ্য সাবেক বিএনপি মহাসচিব। নির্বাচন কমিশন ফলের গেজেট প্রকাশের পর আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শপথগ্রহণ করবেন। এর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে শুরু হচ্ছে তার জীবনের নতুন এক অধ্যায়।
জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে গতকাল দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত হয় ভোটগ্রহণ। এরপর ভোট গণনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা এএমএম নাসির উদ্দিন ফল ঘোষণা করেন।
রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। তবে তিনি সংসদ সদস্য না হওয়ায় নিজে ভোট দিতে পারেননি।
ভোট শেষে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা ব্যালট বাক্সগুলো খুলে সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিতে গণনা শুরু করেন। সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে ব্যালট গণনা করা হয়। এতে সময় লাগে মাত্র ১৮ মিনিট। পরে বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে সিইসি আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এর মধ্য দিয়ে তিনি বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। তাদের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৪৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন বা ভোট দেননি এমন এমপি ছয়জন। নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট এবং অলি আহমদ ৮৮ ভোট পেয়েছেন।
যে ছয়জনের ভোট পড়েনি তারা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের ড. ওসমান ফারুক ও চট্টগ্রাম-৩ আসনের মোস্তফা কামাল পাশা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা, সিলেট-৫ আসনের খেলাফত মজলিশের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসান ও জামায়াতে ইসলামী থেকে নির্বাচিত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে বিএনপির মির্জা আব্বাস ও মোস্তফা কামাল পাশা বিদেশে চিকিৎসাধীন। বিএনপির সংসদ সদস্য ওসমান ফারুক ভোট দিতে আসেননি। আবুল হাসান বিদেশে অবস্থান করছেন। জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামও ভোট দেননি।
বিরোধী দলের নেতার সঙ্গে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির প্রথম কোলাকুলি : রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিজয়ী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা করতালি ও টেবিল চাপড়ে তাকে অভিনন্দন জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান গোলাপ ফুল দিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানান। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিও সবার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
এরপর ‘িবরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সিনিয়র নেতারা সামনের দিকে এগিয়ে এলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজের আসন ছেড়ে সামনে এগিয়ে যান। প্রথমে তিনি বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে কোলাকুলি করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে বিরোধী দলের উপনেতাসহ অন্য জ্যেষ্ঠ নেতারাও নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কোলাকুলি করেন।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানও নিজের আসন ছেড়ে অধিবেশন কক্ষের মাঝখানে চলে যান। সেখানে তিনি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে কোলাকুলি করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গেও কোলাকুলি করেন প্রধানমন্ত্রী।
যেভাবে হলো ভোট : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদের নিয়মিত অধিবেশন না থাকায় বিশেষ বৈঠক ডাকা হয়। জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষেই ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন। সংসদের অধিবেশন কক্ষের মাঝে তিন পাশে তিনটি টেবিলে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স রাখা হয়। ভোট শুরুর ১৫ মিনিট আগে সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করতে শুরু করেন। দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটে দলীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এরপর সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করলে সবাই তাকে স্বাগত জানান।
নির্ধারিত সময় দুপুর ২টায় কুরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। এর আগে অধিবেশন কক্ষে সরকারিদলীয় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে নিয়ে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স পরীক্ষা করেন নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। তারা ফাঁকা ব্যালটবাক্স সংসদ সদস্যদের সামনে প্রদর্শন করেন। অধিবেশনের শুরুতে নির্বাচনের নির্বাচনী কর্তা সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন ভোটদানের নিয়ম ও প্রক্রিয়া সংসদ সদস্যদের সামনে তুলে ধরেন। তবে স্বাগত বক্তব্য দেওয়ার সময় শুরুতে মাইক বিভ্রাট দেখা দেয়। সিইসি রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। পাশাপাশি ব্যালট গ্রহণ, ব্যালটে ভোট প্রদান এবং ব্যালট বাক্সে জমা দেওয়ার নিয়মও বুঝিয়ে দেন।
সিইসির বক্তব্য শেষে দুপুর ২টা ১১ মিনিটে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের জন্য সংসদ কক্ষের মাঝামাঝি আলাদা চেয়ার-টেবিলের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেখানে বসেই তারা ভোট দেন। প্রথমে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি এবং পরে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল ভোট দেন।
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ভোট দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী তার সঙ্গে করমর্দন করেন। এরপর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে করমর্দন করেন এবং সংসদ সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ভোট দেওয়া শেষে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি।
পরে ভোট দেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাদের ভোট দেওয়ার সময় সংসদ সদস্যরা করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান। দুপুর ২টা ১৯ মিনিটে ভোট দেন বিরোধীদলীয় নেতা। এরপর সংসদ সদস্যরা সারিবদ্ধভাবে ভোট দিতে থাকেন। বিকাল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়।
ভোট শুরুর পর ভিড় এড়াতে পর্যায়ক্রমে সংসদ সদস্যদের কাছে ব্যালট পেপার পৌঁছে দেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। প্রথমে সংসদ সদস্যের কাছে ব্যালট পেপারের মুড়ি অংশ দেওয়া হয়। সেখানে তারা নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করেন। এরপর ব্যালটের মূল অংশে থাকা দুই প্রার্থীর নামের মধ্য থেকে পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে নির্ধারিত স্থানে ভোট দেন। মূল ব্যালটেও সংসদ সদস্যকে নিজের পূর্ণ নাম লিখে স্বাক্ষর করতে হয়। পরে ভাঁজ করা ব্যালট পেপার নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে জমা দেন সংসদ সদস্যরা।
৭০ অনুচ্ছেদের কারণে দলীয় সিদ্ধান্তই মুখ্য : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদ সদস্যদের ভোটদানের ক্ষেত্রে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি আগেই জানিয়েছিলেন, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো সংসদ সদস্য ভোট দিতে পারবেন না।
সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দিয়েছেন। বিরোধী দলের সদস্যরাও নিজ নিজ দলের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করেছেন। স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের নিজেদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে ভোটগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। ভোট শুরুর আগে থেকেই সংসদ ভবনের কার্যক্রম সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়। প্রথম পর্যায়ে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা এবং রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী মির্জা ফখরুলের ভোট দেওয়ার দৃশ্য দেখানো হয়। ভোটগ্রহণের পুরো তিন ঘণ্টা সরাসরি সম্প্রচার না হলেও এর রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়। তবে ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালটবাক্স খোলা, ভোট গণনা ও ফল ঘোষণার অংশ সম্প্রচারের ব্যবস্থা ছিল।
৩৫ বছর পর সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা : ১৯৯১ সালের ৮ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি পদে সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হয়েছিল। এরপর ১৯৯৬, ২০০১, ২০০২,২০০৯, ২০১৩, ২০১৮ ও ২০২৩ সালে একাধিক প্রার্থী না থাকায় ভোটের প্রয়োজন হয়নি। প্রতিবারই একক প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এবার জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট আলাদা প্রার্থী দেওয়ায় দীর্ঘদিনের সেই ধারা ভাঙে। ফলে ৩৫ বছর পর সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হলো।
ড. অলি আহমদের পাওয়া ৮৮ ভোট মূলত জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের সংসদীয় শক্তির কাছাকাছি। এই প্রার্থিতা জয়ের জন্য নয়–বরং বিরোধী জোটের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরার একটি কৌশল হিসেবেই দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে একসময়ে বিএনপির ঘনিষ্ঠ নেতা ও জিয়াউর রহমানের সহচর অলি আহমদকে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর মধ্য দিয়ে বিরোধী জোট একটি প্রতীকী রাজনৈতিক বার্তাও দিয়েছে।
১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও ফল অনেকটা নিশ্চিত থাকার পর আওয়ামী লীগ প্রার্থী দিয়েছিল। ওই নির্বাচনে বিএনপির আবদুর রহমান বিশ্বাস ১৭২ ভোট পেয়ে জয়ী হন। আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী পেয়েছিলেন ৯২ ভোট। এরপর আর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যায়নি। এবার অলি আহমদের প্রার্থিতার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৩৫ বছর পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংসদে ভোটের লড়াই হলো।
প্রজ্ঞাপন জারি ইসির: বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। গত রাতে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ। বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আজ শপথ : রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন। আজ শুক্রবার বঙ্গভবনে শপথ নেবেন তিনি। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় দরবার হলে শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত অনুযায়ী, নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। কারণ বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধানের ৭৪ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ অবস্থায় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সংসদ সদস্য পদ (ঠাকুরগাঁও ১) শূন্য হবে। একই সঙ্গে তার মন্ত্রিত্বের দায়িত্বও শেষ হবে। নতুন রাষ্ট্রপতির শপথের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের এ দায়িত্বের অধ্যায়।