অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণ মোকাবেলাকে নিজেদের ক্যারিয়ারের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে এবং সম্মান আদায় করতে এমন কঠিন কন্ডিশনে নিয়মিত খেলার ওপরও জোর দিয়েছেন তিনি। পুরো পাঁচ দিন ভালো ক্রিকেট খেলেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করতে চান তারা।
ডারউইনে অজিদের বিগ থ্রি-খ্যাত স্টার্ক, হ্যাজলউড, কামিন্সদের বেশ ভালো সামলেছে শান্তর দল। তাই তো ম্যাকাইতেও সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চান তারা। অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী বোলিং আক্রমণ ও নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে শান্ত ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘অবশ্যই চ্যালেঞ্জ তো থাকবেই। আমি প্রথম সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছিলাম এটা আমাদের জন্য বড় একটা সুযোগ যে এমন বোলিং লাইনআপের বিপক্ষে আমরা কতটা ভালো ব্যাট করতে পারি। এটাকে আমি মনে করি সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত এবং প্লেয়াররা তাই করছে। একটা ম্যাচ ভালো খেলার কারণে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিবে, ফলে আমার মনে হয় এই কন্ডিশন প্লেয়াররা উপভোগ করবে এবং অই চ্যালেঞ্জটা ভালোভাবে নিবে।’
সামর্থ্য প্রমাণে অজিদের মতো এমন কঠিন কন্ডিশনে আরও ম্যাচ খেলা উচিত বলে মনে করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এতে নিজের সক্ষমতাটা বিশ্ব ক্রিকেটে আরও ভালোভাবে জানান দিতে পারবে মিরাজ-হাসান। সেই সূত্র ধরে নিজেদের লম্বা পরিকল্পনা নিয়ে অধিনায়ক শান্ত বলেন, ‘অবশ্যই খেলা উচিত। আমার মনে হয় না খেললে আমাদের নিজেদেরও উন্নতি হবে না বা নিজেদেরকে সেভাবে বিশ্ব ক্রিকেটে আমরা কতটা সামর্থ্যবান বুঝাইতে পারব না। শেষ ম্যাচে জিতে আমরা এই ইতিবাচক বার্তাটা দিতে পেরেছি। আমরা বিশ্বাস করি আমাদের যে দলটা আছে, যেকোনো কন্ডিশনে খেলার জন্য সামর্থ্যবান। যে ম্যাচ জিতেছি সে ম্যাচে ভালো খেলেছি এখন এই ম্যাচে কীভাবে ভালো করতে পারি এটাও জরুরি।’
ম্যাচ জয়ের কৌশল নিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, ‘এতদূরে চিন্তা করতে চাই না। আমরা প্রথম থেকে যে কথাটা বলে এসেছি যে, ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। এখানেও পাঁচ দিন ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই। ফলে জরুরি হচ্ছে একেক দিন একেক সেশন কত ভালো ক্রিকেট খেলছি।’
এদিকে নিজেদের বোলিং ইউনিট নিয়ে বরাবরের মতোই আত্মবিশ্বাসী শান্ত। একাদশে বা বোলিং লাইন-আপে কোনো বদল আসবে কি-না এ নিয়ে কোনো উত্তর না মিললেও তিনি জানিয়েছেন, দলের সব পেসারই প্রস্তুত আছে আর স্পিনাররাও যেকোনো কন্ডিশনেই ভালো করে। ‘উইকেট দেখে ভালো মনে হয়েছে। আমরা এখানে যে উইকেটে অনুশীলন করেছি সেখানে বাউন্স একটু বেশি ছিল। পাঁচ পেসার স্কোয়াডে আছে সবাই রেডি আছে (ম্যাচ খেলতে), ইতিবাচক দিক হচ্ছে দুইজন স্পিনার আছে যেকোনো কন্ডিশনে ভালো বল করে।’