শরীফুলের ফাইফারে অস্বস্তিতে অজিরা 

ব্যাট হাতে দলকে লজ্জার রেকর্ড থেকে বাঁচানোর পর এবার বোলিংয়েও দারুণ চমক দেখালেন শরীফুল ইসলাম। অজিদের বোলিংয়ে ফেরার দিনটা ব্যাটিংয়ে ফিরতে দিলেন না এই বাঁহাতি পেসার। লাল বলের ক্রিকেটের প্রথমবারে মতো পাঁচ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়লেন তিনি। 

ফাইফার তুলে নিয়েই থামলেন না তিনি। নিজের পরের ওভারে বোল্ড করে ফেরালেন মিচেল স্টার্ককেও, এতে তার উইকেট সংখ্যা দাঁড়াল ৬-এ। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৩৩ ওভারে ১ বলে ৮ উইকেটে অজিদের সংগ্রহ ১৪৮ রান। ৮৪ রানে এগিয়ে আছে তারা। 

ইনিংসের ৩২তম ওভারে জোড়া উইকেট শিকারের মধ্যে দিয়ে ক্রিকেটের এলিট এই ফরম্যাটে প্রথমবারের মতো ফাইফার তোলেন শরীফুল। ওভারের তৃতীয় বলে বেউ ওয়েবস্টারকে ফেরান লেগ বিফোরের ফাঁদে। আর এক বল বাদেই তার বাউন্সে পরাস্ত হয়ে উইকেটের পেছেন ক্যাচ দিয়ে বসেন অজি কাপ্তান প্যাট কামিন্স। 

নিজের পেস দাপটের শুরুটাও ওভারে জোড়া শিকারের মধ্যে দিয়েই করেন শরীফুল। শুরু থেকেই ওয়ানডে মেজাজে ব্যাট করতে থাকা ওপেনার হেডকে ফিরিয়ে যার শুরু। আগের টেস্টের দুই ইনিংসেই হাসান মাহমুদের বলে বোল্ড হইয়ে ফেরা এই ব্যাটার খুঁজে ফিরচ্ছিলেন ছন্দে ফেরার রাস্তা। তবে সেখানে এবার কাঁটা হয়ে এলেন শরীফুল। এবারও ফিরলেন বোল্ড হয়েই। ২৭ বলে ২২ রান করে।

অষ্টম ওভারে এসে ইনিংসে প্রথমবার বোলিংয়ে এসেই উইকেট পেয়ে যান এই বাঁহাতি পেসার। আর একই ওভারে দুই বল বাদেই ফেরান লাবুশেনকেও (৪)। পরে থিতু হবার পথে থাকা স্টিভ স্মিথকেও লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে সাজঘরের রাস্তা দেখিয়ে দেন ২৫ বছর বয়সী এই পেসার। 

এদিকে এক ইনিংসে ১১তম ব্যাটার হিসেবে দলীয় সর্বোচ্চ রান আর ফাইফারের কীর্তি টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম। শরীফুলসহ টেস্ট ইতিহাসে মোট ১৩ ব্যাটার সবার শেষে ব্যাট করতে নেমে দলীয় সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন। তবে তাদের মধ্যে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শরীফুল বোলিংয়ে এসেও একই ইনিংসে নিলেন ফাইফার পেরিয়ে ৬ উইকেট। 



বিস্তারিত আসছে...