বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন এবং পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গাকে নিয়ে বিতর্ক জারি। সন্দীপ পরিচালিত ‘স্পিরিট’ ছবি থেকে অভিনেত্রীর সরে দাঁড়ানো নিয়ে তৈরি বিতর্ক ফের আলোচনায়। এর মাঝেই দীপিকার ঘনিষ্ঠমহলের তরফে কী জানানো হলো? সূত্র বলছে, ছবির পরিচালক সন্দীপের সঙ্গে দীপিকার জীবনে নাকি মাত্র এক বারই দেখা হয়েছিল। সেই বৈঠকও নাকি খুব বেশি দূর এগোয়নি। নায়িকার ঘনিষ্ঠমহলের দাবি, ‘দীপিকার সঙ্গে দেখা করতে নির্ধারিত সময়ের প্রায় এক ঘণ্টা পরে পৌঁছেছিলেন সন্দীপ। যদিও অভিনেত্রী গোটা বিষয়টি পেশাদারিত্বের সঙ্গেই গ্রহণ করেছিলেন। বৈঠকে ছবির কাহিনি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। বরং ছবির মূল ভাবনা বা এক লাইনের একটি ধারণাই তার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়েছিল।’
পূর্ণাঙ্গ গল্প বা চিত্রনাট্যের বর্ণনা না পাওয়ায় ‘স্পিরিট’ নিয়ে দীপিকার পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত আগ্রহ তৈরি হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না— এমনটাই দাবি ওই সূত্রের। কারণ কোনো ছবিতে সম্মতি দেওয়ার আগে সম্পূর্ণ গল্প শোনা দীপিকার কাজের পদ্ধতির অন্যতম অংশ। সেই কারণে ‘স্পিরিট’ তাঁর বিবেচনাধীন ছবির তালিকাতেই ছিল না বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এখানেই শেষ নয়। পরিচালক সন্দীপের সঙ্গে ভবিষ্যতে কাজ করার বিষয়েও দীপিকার বিশেষ আগ্রহ নেই বলে দাবি ঘনিষ্ঠমহলের।
অন্যদিকে এই বিতর্কের মাঝে মুখ খুলেছেন পরিচালকের ভাই প্রণয় রেড্ডি ভাঙ্গা। প্রণয়ের অভিযোগ, ‘স্পিরিট’-এর জন্য দৈনিক আট ঘণ্টা করে কাজের দাবির পাশাপাশি ছবির লভ্যাংশের ১০ শতাংশও চেয়েছিলেন দীপিকা। কিন্তু অভিনেত্রীর এই দাবির সঙ্গেও সহমত হননি সন্দীপ। শেষপর্যন্ত সেই কারণেই নাকি অভিনেত্রীকে ছবিটি থেকে সরে যেতে হয় বলে দাবি প্রণয়ের।