ইউনান উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

চীনের ইউনান প্রদেশের উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে কুনমিং-এর বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল। বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও চীনের বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত সম্ভাবনাময় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে তুলে ধরা হয়। গতকাল শনিবার ‘কানেক্ট টু দি সাউথ, প্রসপার থ্রো ওপেন-কোঅপারেশন’ প্রতিপাদ্যে কুনমিং-এর ‘বিদেশে বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য প্ররিবেশের উন্নয়নে প্রচারণা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে কুনমিং-এর বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) রিদওয়ানুর রহমান ‘বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে বাংলাদেশ’ শীর্ষক উপস্থাপনা দেন। তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক শ্রমশক্তি, শিল্পভূমি, জ্বালানি সুবিধা, শতভাগ বিদ্যুতায়ন ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য হয়ে উঠেছে। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও চীনের মধ্যে সংযোগকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ চীনের বাজারে প্রবেশের কার্যকর পথ তৈরি করছে।

তিনি বলেন, আলোচনাধীন কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর দক্ষিণ-পশ্চিম চীন থেকে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরে পৌঁছানোর সম্ভাবনাময় বাণিজ্যপথ হতে পারে, যা ইউনানের উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

রিদওয়ানুর রহমান আরও জানান, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের শতভাগ মালিকানা, মূলধন ও মুনাফা প্রত্যাবাসনের সুযোগ এবং চীনসহ ৩৪টি দেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি বাংলাদেশে স্থিতিশীল বিনিয়োগ কাঠামো নিশ্চিত করেছে। চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নির্মাণাধীন বিডার চাইনিজ ইকোনমিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন-এর ওয়ান স্টপ সার্ভিস, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, হাই-টেক পার্ক এবং চার বিলিয়ন ডলারের বেশি সম্ভাবনাময় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের প্রকল্পের কথাও তিনি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠান শেষে ইউনানের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ নিয়ে কনস্যুলেটের বাণিজ্যিক উইংয়ের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। কনস্যুলেট জানিয়েছে, ইউনান, সিচুয়ান, চংচিং, গুইঝো ও গুয়াংশির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক জোরদারে তারা কাজ করছে।