জামায়াত আমির বললেন

কোরআন শিক্ষা ছাড়া মুক্তির পথ নেই

জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কোরআন-সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান ছাড়া কোরআনের হুকুম মেনে চলা এবং অন্যদের আল্লাহর দিকে আহ্বান করা যায় না। বাস্তব জীবনে সহিহভাবে অর্থসহ কোরআন পড়তে শেখা প্রত্যেকের জন্যই ফরজ। পবিত্র কোরআন সহিহভাবে পড়তে, শিখতে এবং বুঝতে ও মানতে হবে। তাহলেই আমাদের জীবন সার্থক হবে। দুনিয়া ও আখিরাতে আমরা মুক্তি পাব। এ ছাড়া মুক্তির আর কোনো পথ নেই।

গতকাল শনিবার রাজধানীর আল-ফালাহ মিলনায়তনে দিনব্যাপী তা’লিমুল কোরআন বিভাগের জেলা ও মহানগরীর দায়িত্বশীল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় তা’লিমুল কোরআন বিভাগের সেক্রেটারি ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিমের পরিচালনায় এবং অধ্যাপক ড. আবুল কালাম পাটওয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপি, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ, তা’লিমুল কোরআন বিভাগীয় কমিটির সদস্য মাওলানা আ ফ ম আব্দুস সাত্তার, মাওলানা আবদুল মান্নান, অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঁইয়া, ড. মাওলানা মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আল্লাহ তার বান্দাদের মধ্য থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষদেরই নবী, রাসুল (সা.) ও পয়গম্বর হিসেবে বাছাই করেছেন এবং তাদের ওপর কিতাব নাজিল করেছেন। আল্লাহর দেওয়া সেই কিতাব অনুযায়ী তারা মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করেছেন। তিনি বলেন, মানুষকে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দিতে হলে বাস্তব জীবনের সবক্ষেত্রে কোরআনের হুকুম মেনে চলতে হবে। তা না হলে মৌখিক দাওয়াতে কোনো কাজ হবে না।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর আল্লাহ পবিত্র  কোরআন নাজিল করেছেন। আল্লাহর কিতাব পবিত্র কুরআন আমাদের সহিহভাবে পড়া শিখতে হবে। মানুষ যখন আল্লাহর কিতাব মেনে চলেছেন তখন তারা দুনিয়াতে সম্মানের সঙ্গে শান্তিতে বসবাস করেছেন। যখন তার কিতাব থেকে মানুষ দূরে সরে গিয়েছে তখনই তাদের ওপর নানা বালা-মুসিবত এসেছে এবং মানুষ পথভ্রষ্ট হয়ে দুনিয়ায় লাঞ্ছিত, অপমানিত হয়েছে এবং বর্তমানেও হচ্ছে। কাজেই আমাদের উচিত পবিত্র কোরআন সহীহভাবে অর্থ সহকারে পড়তে শেখা।