থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বার্ষিক সাধারণ সভা। এশিয়ার ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সদস্য দেশগুলোর উপস্থিতিতে এই সভায় বেশ কিছু বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সভার সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তটি এসেছে এশিয়ান ক্রিকেটের নেতৃত্ব নিয়ে। এসিসির সভাপতি পদটি আগে শুধু এশিয়ার চারটি টেস্ট খেলুড়ে দেশ—ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশের মধ্যে পালাক্রমে বদল হতো। এখন থেকে এই তালিকায় আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকেও যুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, আগামীতে নিয়ম অনুযায়ী এশিয়ান ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নেতৃত্বে দেখা যাবে আফগানিস্তানকেও।
এছাড়া সবার সম্মতিতে এসিসির নতুন সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি খালিদ আল জারুনি। পাশাপাশি, আগামী মেয়াদের (২০২৬-২০২৮) জন্য কাতার, সিঙ্গাপুর, মালদ্বীপ ও বাহরাইন থেকে নতুন নির্বাহী বোর্ডের সদস্যও নির্বাচন করা হয়।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হিসেবে এই প্রথমবার এসিসির কোনো সভায় অংশ নিয়েছেন তামিম ইকবাল। তাকেকে গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যানে দায়িত্ব দেয়া হয়।
এশিয়ান ক্রিকেটের ঐক্য ও ভবিষ্যৎ নিয়ে এসিসি সভাপতি সৈয়দ মহসিন রাজা নকভি সভায় বলেন, "এশিয়ায় ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয়, এটি বিভিন্ন দেশ, সংস্কৃতি ও প্রজন্মকে এক সুতোয় বাঁধার একটি মাধ্যম। আমাদের আজকের এসব সিদ্ধান্ত এশিয়ার ক্রিকেটকে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করবে।"
এসিসির এই নতুন সিদ্ধান্তগুলো মূলত এশিয়া অঞ্চলে ক্রিকেটের প্রসার এবং নতুন ও উদীয়মান দলগুলোকে আরও বেশি সুযোগ করে দেওয়ার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।