বাঁশখালীতে হাতি সংরক্ষণে জনসচেতনতা মূলক সভা

‘বিশ্বজুড়ে ঐক্য গড়ি, হাতির জীবন রক্ষা করি’–এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর  চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে জনসচেতনতামূলক সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বন্যহাতি সংরক্ষণ ও হাতি-মানুষের নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে জনসচেতনতামূলক সভা র‌বিবার (২৩ আগস্ট) বিকালে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়।

জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা দীপান্বিতা ভট্টাচার্য এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াছিন নেওয়াজ।

জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বাঁশখালী ইকোপার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইসরাঈল হকের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন সরকারি আলাওল কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. আজিজুর রহমান, চাম্বল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম, সাংবাদিক শিব্বির আহমদ রানা,‌ মিজান বিন তা‌হের, রিয়াদুল ইসলাম রিয়াদ, প্রকাশ বড়ুয়া, আতিকুর রহমান মানিক,চাম্বল বিট কর্মকর্তা মো. দিদার, নাপোড়া বিট কর্মকর্তা অঞ্জন কান্তি বিশ্বাস, পুইছুড়ি বিট কর্মকর্তা কামরুল হাসান প্রমুখ।

সভায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পক্ষে ক্ষতবিক্ষত চুনতি বন পুনরুদ্ধারে বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণির ব্যক্তি আলোচনায় অংশ নেন। তারা বলেন, পরিবেশ ও প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বনের ফরেস্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে পরিচিত হাতির আবাসস্থল সংকোচন, পাহাড় ধ্বংস, বনভূমি ধ্বংসের ফলে নানা কর্মকাণ্ডের ফলে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব বেড়েই চলেছে। 

পাহাড়ে হাতির চলাচলের পথ সংকোচন ও খাদ্য সংকট থাকায় তারা লোকালয়ে চলে আসছে। আমরা হাতির চলাচলের রাস্তায় কোন রকম বাঁধা সৃষ্টি না করি। হাতি-মানুষ দ্বন্দ্ব নিরসন এবং মহাবিপন্ন এই হাতি সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সভা শেষে চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা অংশ নেন।