নতুন অধ্যায়ে হাউস অব আহমেদ

নতুন ঠিকানা, নতুন অভিজ্ঞতা, নতুন ভাবনা হেরিটেজ, কারুশিল্প ও সমকালীন নকশার সমন্বয়ে নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে হাউস অব আহমেদ। গুলশান ২-এর ভেঞ্চুরা মলে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ বর্গফুট জায়গাজুড়ে দুই তলায় সাজানো নতুন এই আউটলেটের মধ্য দিয়ে ব্র্যান্ডটি প্রবেশ করছে তাদের ‘চ্যাপ্টার টু’-এ। তবে এটি শুধু একটি নতুন আউটলেট নয়; বরং হাউস অব আহমেদের ভাবনা, নকশা ও ক্রেতার অভিজ্ঞতাকে নতুন করে সাজানোর একটি প্রয়াস।

এই নতুন অধ্যায়ের তাৎপর্য তুলে ধরে হাউস অব আহমেদের সহপ্রতিষ্ঠাতা আহমেদ তুহিন রেজা বলেন, ‘চ্যাপ্টার টু আমাদের জন্য দারুণ ব্যক্তিগত এক অধ্যায়। আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশে এমন প্রতিভাধর কারুশিল্পী ও কারুশিল্প আছে, আছে আমাদের হেরিটেজ, যা দিয়ে বিশ্বের যেকোনো জায়গায় গর্বের সঙ্গে লাক্সারি ফ্যাশন তৈরি করা সম্ভব। আমরা আবারও এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কারণ আমরা সেই স্বপ্নে বিশ্বাস করি। চ্যাপ্টার টু আমাদের আগের জায়গায় ফিরে যাওয়ার গল্প নয়; বরং আরও স্বচ্ছ ভাবনা, আরও দৃঢ় সংকল্প এবং আরও বড় স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার গল্প।’

পোশাকের পাশাপাশি অভিজ্ঞতা

নতুন আউটলেটের পরিকল্পনায় তাই শুধু পোশাক প্রদর্শন বা বিক্রির বিষয়টি প্রাধান্য পায়নি। পুরো জায়গাটিকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে একজন ক্রেতা সেখানে ঢুকে একটি লাক্সারি ফ্যাশন হাউজের অভিজ্ঞতা পান।

একদিকে বিভিন্ন কলেকশন দেখার সুযোগ,কতুর, ব্রাইডাল ও বেসপোক পরামর্শের জন্য আরও ব্যক্তিগত পরিসর।

কতুর থেকে প্রিমিয়াম পোশাক

নতুন আউটলেটে থাকছে হাউস অব আহমেদের স্বাক্ষরধর্মী কতুর ও বিশেষ আয়োজনের পোশাক। এর সঙ্গে থাকছে ব্রাইডাল ও উৎসবের কলেকশন।  দৈনন্দিন প্রিমিয়াম পরিধানের জন্য থাকছে তাদের ফ্রাইডে সিগনেচার কলেকশন। চ্যাপ্টার টু-এ হাউস অব আহমেদের নকশার নিজস্ব ভাষার নতুন কিছু প্রকাশও দেখা যাবে। থাকবে বিশেষভাবে বাছাই করা পোশাক।

ব্রাইডাল অভিজ্ঞতায় ব্যক্তিগত স্পর্শ

হাউস অব আহমেদের পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ ব্রাইডাল কতুর। এই নতুন অধ্যায়কে শুধু নকশা ও পোশাকের পরিবর্তন হিসেবে দেখছেন না হাউস অব আহমেদের সহ-প্রতিষ্ঠাতা তানজিলা এলমা।  তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে লাক্সারি সবসময়ই একটি পোশাকের চেয়ে অনেক বেশি কিছু। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে সেইসব হাত, যেগুলো একটি পোশাক তৈরি করে; তাই এটি কেবল পোশাক নয়, বরং একেকটি পোশাকের ভেতরে বোনা একেকটি গল্প। আমরা চাই, হাউস অব আহমেদ এমন একটি নাম হয়ে উঠুক, যা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বাংলাদেশের সৌন্দর্যকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরবে।