বিরুৎ,গুল্ম, বৃক্ষ এই তিন ধরনের উদ্ভিদ রয়েছে জগতে। পৃথিবীর বৃহত্তম জীবন্ত গাছ ‘জেনারেল শেরম্যান’ থেকে শুরু করে ক্ষুদ্রতম উদ্ভিদ ‘বামন উইলো’ সব উদ্ভিদ জগতের অন্তর্ভুক্ত। সাধারণত পোকা আক্রমণ না করলে কোনো বৃক্ষ মরে না। বৃক্ষ জগতে রয়েছে অজানা রহস্য। যার জৈবিক গঠন গবেষকদের অবাক করে। গাছের দীর্ঘায়ু ও বেঁচে থাকার পেছনে কাজ করে, বিশেষ জৈবিক গঠন ও কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া। প্রাচীনতম গাছের গোড়ার মাটিতে শত শত প্রজাতির ছত্রাক থাকে, যা গাছকে বাঁচিয়ে রাখে। গাছের দীর্ঘ জীবন রহস্য লুকিয়ে আছে জৈবিক গঠনে। বিষয়টি জানা গেছে একদল বিজ্ঞানীর প্রচেষ্টায়। যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের একদল বিজ্ঞানী এই গবেষণা করেছেন। ‘প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা জার্নাল’-এ বিজ্ঞানী দল দাবি করেছেন, গাছের দীর্ঘায়ুর রহস্য তারা ভেদ করেছেন। সে জন্য গবেষণা করেছেন বিশ্বের প্রাগৈতিহাসিক গাছগুলো নিয়ে। গিঙ্কগো বাইলোবা প্রজাতির আদিতম যে গাছের জীবাশ্মের খোঁজ পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা, তাও সেই ডাইনোসর যুগের। গবেষণাপত্রে বলা হয়, এ গবেষণার সময় গিঙ্কগো বাইলোবা গাছের ১৫ থেকে ৬৬৭ বছর বয়সী কয়েকটি গাছের কোষ, বাকল, পাতা ও বীজ বিশ্লেষণ করেছেন বিজ্ঞানীরা। মানুষের যেমন বার্ধক্যের সময় জটিলতা সৃষ্টি হয় শরীরে, উদ্ভিদের ক্ষেত্রে তা হয় না। এ ধরনের উদ্ভিদের বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে জৈব রাসায়নিক সক্ষমতা বাড়ে। জিন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বয়স হলেও এতে বার্ধক্যজনিত বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পায় না।