রদ্রির ‘পারফেক্ট’ অভিষেক

ক্যাম্প ন্যুয়ের সবুজ গালিচায় তখন ফ্লাডলাইটের সোনালি আলো, গ্যালারিজুড়ে হাজারো কণ্ঠের একটানা গর্জন। নতুন মৌসুমের প্রথম হোম ম্যাচেই স্বস্তির এক জয়ে নিজেদের শক্তিমত্তা জানান দিল হান্সি ফ্লিকের বার্সেলোনা। অ্যাথলেটিক ক্লাবের জমাট রক্ষণ ভেদ করে ২-০ গোলের জয় তুলে নেওয়ার এই রাতে কাতালানদের জন্য আরও এক প্রাপ্তি ছিল ম্যানচেস্টার সিটি থেকে নতুন যোগ দেওয়া রদ্রির বহু প্রতীক্ষিত অভিষেক। জয় ও নতুন তারকার দ্যুতিতে মোড়ানো এই রাতটি বার্সা সমর্থকদের জন্য হয়ে রইল এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজিয়ে বসে বার্সেলোনা। হান্সি ফ্লিক এদিন একাদশে আস্থা রেখেছিলেন চার তরুণ তুর্কির ওপর। প্রথমার্ধের কিছুটা সময় উনাই সিমনের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভাঙতে বেশ ঘাম ঝরাতে হয় স্বাগতিকদের। তবে ৩৭ মিনিটে ম্যাচের ডেডলক ভাঙেন রাফিনহা। পেদ্রির দারুণ এক থ্রু-বল ধরে অ্যাথলেটিক গোলরক্ষক সিমনকে কাটিয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে বার্সাকে এগিয়ে নেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। এটি ছিল চলতি মৌসুমে তার তৃতীয় গোল। অবশ্য এর আগে রাফিনহার একটি হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং লামিন ইয়ামালও ক্রসবারে বল মেরে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করেন।

দ্বিতীয়ার্ধেও বলের নিয়ন্ত্রণে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখে কাতালানরা। ম্যাচের ৬৩তম মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, ডাগআউট থেকে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন রদ্রি। ক্যাম্প ন্যুয়ের দর্শকরা তখন গগনচুম্বী করতালিতে বরণ করে নেন এই বিশ্বজয়ী তারকাকে। মাঝমাঠে নেমে রদ্রি মুহূর্তেই তার নিখুঁত পাসিং ও ট্যাকটিক্যাল দক্ষতার ছাপ রাখেন, যা বার্সাকে ম্যাচ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।