টেলিভিশনের নাম মাছরাঙা

সময়ের বিনোদন চাহিদায় বেসরকারি অর্ধশতাধিক চ্যানেলের ভিড়ে পাখির নামে ব্যতিক্রমী নাম নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে মাছরাঙা টেলিভিশন। কিছু চ্যানেল শুধু সংবাদ পরিবেশন করে। কিছু চ্যানেল আছে অনুষ্ঠান এবং সংবাদভিত্তিক। দেশে অনেকগুলো টেলিভিশন আছে তার মধ্যে কয়েকটি মাত্র বাংলাতে। মাছরাঙা নানা বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠান প্রচার করে আসছে। মাছরাঙা টেলিভিশনের নেতৃত্বে থাকা অঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে আমার রয়েছে আত্মিক সম্পর্ক। চ্যানেলটির সুপরিচিত সকালের অনুষ্ঠান ‘রাঙা সকাল’ ইতিমধ্যে ৫ হাজার পর্ব পূর্ণ করেছে, যেখানে আট হাজারের বেশি অতিথি অংশ নিলেও কেউ কখনো দ্বিতীয়বার আসেননি, যা এক বিরল ঘটনা।

লোকসংগীত নিয়ে দেশের প্রথম রিয়েলিটি শো ‘ম্যাজিক বাউলিয়ানা’-এর ৫টি সফল সিজন আয়োজন করে মাছরাঙা আমাদের সংগীত জগতে নতুন মেধাবী শিল্পী উপহার দিয়েছে।

রান্নার ওপর ভিত্তি করে ‘সেরা রাঁধুনী’র ৮টি সিজনের পাশাপাশি ‘রাঁধুনী রান্নাঘর’, ‘রান্না কোনো ব্যাপারই না’-এর মতো অসংখ্য কুকিং শো প্রচারিত হয়েছে।

চলচ্চিত্রবিষয়ক ‘হাউজফুল’ অনুষ্ঠানটি নায়ক আলমগীর উপস্থাপনা করেছিলেন। এ ছাড়া ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআর কে’, বৈঠকি গানের আয়োজন ‘তোমায় গান শোনাবো’ এবং মর্যাদাপূর্ণ ‘মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার’ প্রচার করে থাকে এই চ্যানেল। নাটক, চলচ্চিত্র, টকশো ও বিশেষ দিবসের অনুষ্ঠানমালায় সমৃদ্ধ মাছরাঙা আমাদের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রসারে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন আয়োজন উপহার দিয়ে চলেছে। রঙিন ডানায় ভর করে চ্যানেলটি অনেক দূর এগিয়ে যাক এমনটাই শুভকামনা।