মিঠুনকে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশ ‘এ’ দল

দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে জায়গা মেলেনি জাতীয় দলে। লাল-সবুজের জার্সি গায়ে শেষবার বাইশ গজে নামার স্মৃতি ফিকে হয়ে এলেও ঘরোয়া ক্রিকেটের উইকেটে ব্যাট হাতে নিয়মিত রান পেয়েছেন মোহাম্মদ মিঠুন। ঘরোয়া লিগের সেই পারফরম্যান্স আর অভিজ্ঞতার ভরেই অবশেষে দক্ষিণ আফিকা সফরের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশ ‘এ’ দলের স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন মিঠুন।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের তিনটি আনঅফিশিয়াল ওয়ানডে ম্যাচের জন্য ১৫ সদস্যের এই দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আসন্ন এই সিরিজে জাতীয় দলের সাদা বলের সহ-অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ের কাঁধে থামানো হয়েছে নেতৃত্ব। আগামী ৬, ৯ এবং ১২ সেপ্টেম্বর ব্লুমফন্টেইন, কিম্বার্লি ও পচেফস্ট্রুমে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের মুখোমুখি হবে লাল-সবুজ প্রতিনিধিরা।

দলটিতে হৃদয়ের পাশাপাশি আছেন অভিজ্ঞ নুরুল হাসান সোহান, জাকের আলী অনিক, পারভেজ হোসেন ইমন ও রিশাদ হোসেনরা। তবে সব ছাপিয়ে আলোচনায় দীর্ঘ পাঁচ বছর পর ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরম্যান্সে ভর করে মিঠুনের এই কামব্যাক।

২০২১ সালে জাতীয় দলের রাডার থেকে ছিটকে যাওয়ার পর দীর্ঘ লম্বা সময় কোনো ফরম্যাটেই জাতীয় বা ‘এ’ দলের দেখা যায়নি তাকে। তবে ডিপিএল ও বিপিএলে দাপুটে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি সামলেছেন নেতৃত্বও। ডিপিএলের সবশেষ আসরে ঢাকা লেপার্ডসের অধিনায়ক ছিলেন মিঠুন। সেই আসরে ১১ ম্যাচে এক ফিফটি ও এক সেঞ্চুরির ভরে করেন ৩২১ রান। ঘরোয়া আসরের এই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদেই অবশেষে নির্বাচকদের-দের নজর কেড়ে ‘এ’ দলের দরজা খুলতে সক্ষম হয়েছেন মিঠুন। 

দক্ষিণ আফ্রিকা বাংলাদেশ ‘এ’ দল: মোহাম্মদ নাঈম শেখ, পারভেজ হোসেন ইমন, মাহমুদুল হাসান জয়, সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয় (অধিনায়ক), নুরুল হাসান সোহান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, জাকের আলী অনিক, মোহাম্মদ মিঠুন, আলিস আল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, আল ফাহাদ, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, মুশফিক হাসান, রেজাউর রহমান রাজা।