জুলাই যোদ্ধাকে হত্যাচেষ্টায় মামলা, তদন্তে সিআইডি

জুলাই যোদ্ধাকে মারধর, চাঁদা দাবি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্ত সংস্থাকে আগামী ৫ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালতে মামলার আবেদন করেন গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা মো. গিয়াস উদ্দিন। তার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইয়াসিন মিয়া।

মামলায় জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের জ্যেষ্ঠ ভেরিফিকেশন অফিসার ইফতেখার হোসেন, এক্সিকিউটিভ মেম্বার সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী, সাইদুর রহমান শহীদ, মেহেদী হাসান প্রিন্স, সাগর, আফজালুর রহমান সায়েম, হারুন অর রশীদ, কামরুল হোসেন, আলিফ, জাহিদ, মোমেনুজ্জামান দিপু, সাজ্জাদ মোস্তফা, ফাতেমা আফরিন পায়েল ও ইয়াছিন মোল্লাকে নামীয় এবং আরও ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, বাদী গিয়াস উদ্দিন একজন গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধা। সরকার ঘোষিত সুযোগ-সুবিধা ও চেক পাওয়ার জন্য তিনি বারবার ফাউন্ডেশনে যোগাযোগ করলেও তাকে বিভিন্ন অজুহাতে ঘোরানো হচ্ছিল। একপর্যায়ে তার কাছে অবৈধ সুবিধা দাবি করা হয়। গত বছরের ৩ মে বেলা ৩টার দিকে গিয়াস উদ্দিন চেক নিতে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনে যান। সেখানে তার সরকারি বরাদ্দের ৩ লাখ টাকার মধ্যে ৫০ শতাংশ (দেড় লাখ টাকা) চাঁদা হিসেবে দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে কৌশলে একটি গোপন কক্ষে নিয়ে মারধর ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। হামলায় তার ডান চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রমনা থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ গ্রহণ না করায় তিনি আদালতে মামলা করেছেন।