কোচের দায়িত্ব হারিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন সৈয়দ রাসেল

খেলা থেকে অবসরের পর কোচিংয়েই নিজের নতুন ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক বাঁহাতি পেসার সৈয়দ রাসেল। কোচ হিসেবে গত কয়েক বছর খুলনা বিভাগীয় দলের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।

পাশাপাশি বিসিবির গেম ডেভেলাপমেন্ট বিভাগেও দায়িত্ব পালন করছিলেন। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও কোচিংয়ে নিয়মিত ছিলেন সাবেক এই পেসার। তার অধীনে ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো সময় কাটাচ্ছিল খুলনা। তবে নতুন মৌসুম শুরুর আগে হঠাৎ করেই খুলনা বিভাগীয় দলের কোচের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাসেলকে। জাতীয় ক্রিকেট লিগ সামনে রেখে দলগুলো যখন প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখনই এসেছে এই পরিবর্তন।

বর্তমানে বিভাগীয় দলগুলোর কোচ ও নির্বাচক নিয়োগে জেলা ও ক্রীড়া সংস্থাগুলোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ভূমিকা রয়েছে। কমিটি না থাকায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকেই দায়িত্ব বণ্টন করা হচ্ছে। যদিও কোচ নিয়োগে ক্রিকেট বোর্ড সরাসরি যুক্ত নয়, তবুও বিসিবির নির্দেশনাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। 

দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করেও কোনো ধরনের মূল্যায়ন না পাওয়ায় হতাশ রাসেল। নিজের অবস্থান জানাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘গত প্রায় ৪/৫ বছর ধরে খুলনা বিভাগীয় ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। এই দীর্ঘ সময়ে আমার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পরিশ্রম ও অভিজ্ঞতা দিয়ে খুলনা বিভাগের ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।’

সঙ্গে যোগ করেন, ‘কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আসন্ন মৌসুমে কোনো পূর্ব নোটিশ, আলোচনা বা কারণ দর্শানো ছাড়াই আমাকে খুলনা বিভাগীয় দলের কোচের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। একজন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া বা না পাওয়া বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিষয়, এটি আমি সম্মানের সঙ্গে মেনে নিই। তবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনের পর কোনো ধরনের নোটিশ বা ব্যাখ্যা ছাড়াই এভাবে বাদ দেওয়া সত্যিই কষ্টদায়ক ও হতাশাজনক।’ 

নতুন মৌসুমে খুলনা বিভাগের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার তুষার ইমরান। তার সহকারী হিসেবে থাকবেন রায়হান উদ্দিন। ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকবেন শফিউল ইসলাম সবুজ। ট্রেনার হিসেবে আসলাম খান এবং ফিজিও হিসেবে নুরুল হক সুযোগ পেয়েছেন।