চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সংরক্ষিত বনভূমির সেগুন গাছ কেটে পাচারের অভিযোগে যৌথ অভিযান চালিয়ে ৩১টি সেগুন গাছের গুঁড়ি জব্দ করেছে পুলিশ ও বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জলদী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেঞ্জ ও বাঁশখালী থানা পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জলদী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বিটসংলগ্ন কাল্লুঘাটা এলাকার আজিজ আহমদের পরিত্যক্ত বাড়ি এবং জলদী ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নবী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই দুটি স্থান থেকে মোট ৩১টি সেগুন গাছের গুঁড়ি জব্দ করা হয়। পাশাপাশি সেগুন গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত বনভূমি থেকে সেগুন গাছ কাটার পর তা পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জলদী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাঈল হক বলেন, 'সংরক্ষিত বনভূমির গাছ কেটে পাচার করা গুরুতর অপরাধ। বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দ করা কাঠের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।'
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জলদী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ইসরাঈল হক, জলদী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বিট কর্মকর্তা বিজয় মারমা, বাঁশখালী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল, থানার পুলিশ সদস্য, গ্রাম পুলিশ এবং জলদী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও বাঁশখালী ইকোপার্কের বন বিভাগের কর্মীরা।
এ ঘটনায় অপরাধের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পিওআর (POR) বন মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানা যায়।