ভাণ্ডারিয়ায় জাল সনদের অভিযোগ, দুই মাস বেতন বন্ধ

জাল সনদে চাকরির অভিযোগে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসার এক জুনিয়র শিক্ষিকার দুই মাস ধরে বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে। গত ২৮ জুলাই এনটিআরসি কর্তৃপক্ষের একটি জারি করা নোটিসের মাধ্যমে এ তথ্য জানা গেছে। 

উক্ত জারিকৃত নোটিসে পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়া উপজেলার শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসার জুনিয়র শিক্ষিকা ফারজানার বিষয়ে জানানো হয়, ২০২০ সালের ১৭ শ শিক্ষকরে নিবন্ধন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০১০৩২১৯৮ রোল নম্বর সম্বলিত দাখিলকৃত প্রত্যয়নপত্রটিতে পিতা ও মাতার নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা ও প্রাপ্ত নম্বরের সাথে এ প্রতিষ্ঠানের সংরক্ষিত ফলাফলের কোনো মিল নাই। সংগত কারণে প্রতীয়মান হয় যে, প্রেরিত প্রত্যয়নপত্রটি সঠিক নয় বরং জাল/জালিয়াতির মাধ্যমে সৃষ্ট। 

গত ১৪ জুলাই ভাণ্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসার শিক্ষকদের দাখিলকৃত শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়নপত্র যাচাই বাচাই শেষে গত ২৮ জুলাই এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ একটি জারি করা নোটিসে এ তথ্য জানায় । ওই নোটিসে এনটিআরসির সহকারী পরিচালক ড. এস এম আতিয়ার রহমান উক্ত জাল সনদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রয়োজনীয় আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহনপূর্বক অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করে।  

এর ফলে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) যাচাইয়ে জাল সনদের প্রমাণ পাওয়ায় পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসার জুনিয়র শিক্ষিকা ফারজানা অত্র মাদরাসায় ক্লাস নিতে আসা বন্ধ করে দিয়েছে এবং গত ২ মাস ধরে তার বেতন ভাতা বন্ধ রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে শিক্ষিকা ফারজানার মুঠোফোনে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে ভাণ্ডারিয়া শাহাবুদ্দিন কামিল মাদরাসায় অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহিম জানান, শিক্ষক ফারজানার সনদ যাচাইয়ে সঠিকতা পাওয়া যায়নি, বিধি মোতাবেক মাদরাসার গভর্ণিং বডির এক মিটিংয়ে শিক্ষিকা ফারজানার বেতন ভাতা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং গত ২ মাস ধরে তার বেতন বন্ধ রয়েছে। ওই শিক্ষিকা বর্তমানে মাদরাসায় আসা বন্ধ করে দিয়েছেন।