একদিনে ৪ কারাবন্দির মৃত্যু

কেরানীগঞ্জ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হওয়া ৪ বন্দি গতকাল রবিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ২ জন হাজতি ও একজন কয়েদি। অন্যজন মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি। গতকাল সকাল ৭টা ২৫ মিনিট থেকে সাড়ে ৯টা ৫ মিনিটের মধ্যে তিনজনের মৃত্যু হয়। আর মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি রাত ৯টার দিকে মারা যান। তারা হলেন আবুল বাশার, আব্দুল কাইয়ুম, শাহাদাত হোসেন ও আজহারুল ইসলাম মিলন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ অবস্থায় আবুল বাশারকে রবিবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বাড়ি চাঁদপুরের কচুয়ার কুটিয়া লক্ষ্মীপুর গ্রামে। বাবার নাম সেকেন্দার আলী। কচুয়া থানায় নারী নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় বন্দি ছিলেন তিনি।

অন্য হাজতি আব্দুল কাইয়ুমকে কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে গতকাল সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সকাল ৯টা ৫ মিনিটে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের গোলাই পদাবাজার গ্রামে। বাবার নাম মৃত দুদু মিয়া। তিনি আটটি মামলায় বন্দি ছিলেন। কয়েদি শাহাদত হোসেন লিটনকে গত ২৮ আগস্ট অসুস্থ অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের ৫০২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল সকাল পৌনে ৯টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মামলা নম্বর ১১/০৭ এবং উত্তরা থানার এক মামলায় বন্দি ছিলেন। বাড়ি খুলনার দৌলতপুরের পাবলা গ্রামে। বাবার নাম মৃত আব্দুল কাদের।

অন্যদিকে গতকাল রাত সোয়া ৯টার দিকে আজহারুল ইসলাম মিলনকে অচেতন অবস্থায় ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মিলনের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়ায়। বাবার নাম সায়েম উদ্দিন। পাকুন্দিয়া থানার হত্যা মামলার মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামি ছিলেন তিনি।