বাংলাদেশের বিপক্ষে ব্যর্থতার পরও দ. আফ্রিকা সফরের দলে লাবুশেন

টানা অফফর্ম ও তীব্র সমালোচনার মুখেও মার্নাস লাবুশেনের ওপর আস্থা বজায় রেখেছেন অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের হাইভোল্টেজ টেস্ট সিরিজের জন্য ঘোষিত ১৬ সদস্যের অস্ট্রেলিয়া দলে জায়গা ধরে রেখেছেন এই মিডল-অর্ডার ব্যাটার। তার পাশাপাশি ১৬ সদস্যের এই স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন উদীয়মান অলরাউন্ডার কুপার কনলি, পেসার মাইকেল নেসার এবং বাঁহাতি স্পিনার ম্যাথিউ কুনেম্যান।

২০২৩ সালের জুলাইয়ের পর থেকে দীর্ঘ ৪৩ টেস্ট ইনিংসে কোনো সেঞ্চুরি করতে পারেননি লাবুশেন, এ সময়ে তার ব্যাটিং গড় নেমে এসেছে ২৪.৬৯-এ। সম্প্রতি বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজেও (১, ৩১ ও ৪) নিজের ছায়া হয়ে ছিলেন তিনি। ওডিআই দল থেকে বাদ পড়লেও প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি জানিয়েছেন, লাল বলের ক্রিকেটে মনোযোগ বাড়িয়ে লাবুশেন দ্রুতই স্বরূপে ফিরবেন বলে বিশ্বাস তাদের।

এদিকে, জাতীয় দলে নতুন চমক হিসেবে স্থান পেয়েছেন ২৩ বছর বয়সী কুপার কনলি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সেঞ্চুরি না থাকলেও তার বহুমুখী প্রতিভার কারণে টপ-অর্ডার বা মিডল-অর্ডারের বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে তাকে। এছাড়া ইনজুরি কাটিয়ে গতি পেস আক্রমণে পঞ্চম বোলার হিসেবে ফিরেছেন মাইকেল নেসার। ব্যাকআপ স্পিনার হিসেবে ন্যাথান লায়নের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কুনেম্যান।

তিন টেস্টের এই সিরিজটি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দলের লড়াই হতে যাচ্ছে। আগামী ৯ অক্টোবর ডারবানে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। এরপর জেকেবারহা ও কেপটাউনে অনুষ্ঠিত হবে বাকি দুই ম্যাচ।

অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দল

প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ট্র্যাভিস হেড, স্কট বোল্যান্ড, অ্যালেক্স কেয়ারি, কুপার কনলি, ক্যামেরন গ্রিন, জশ হ্যাজলউড, জশ ইংলিস, ম্যাথিউ কুনেম্যান, মার্নাস লাবুশেন, ন্যাথান লায়ন, মাইকেল নেসার, ম্যাট রেনশ, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক ও বো ওয়েবস্টার।