ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে অপ্রত্যাশিত এক হারের স্বাদ পাওয়ার পর থেকেই যেন নড়েচড়ে বসেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট। সেই হারের ধাক্কায় কেবল বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার সমীকরণই জটিল হয়নি, বরং অজি শিবিরের অন্দরে তৈরি হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। আর তার প্রমাণ মিলল জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য ঘোষিত অস্ট্রেলিয়ার ওয়ানডে স্কোয়াডে।
শান্ত-মিরাজদের বিপক্ষে সিরিজে চরম ব্যর্থতার পর এবার কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অজি নির্বাচকরা, যার বড় শিকার হয়ে দল থেকে বাদ পড়েছেন মারনাস লাবুশেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেই সিরিজ হারের ক্ষত আর আগামী বছরের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ডিফেন্ড করার কঠিন লক্ষ্য সামনে রেখেই এবার প্রোটিয়া ও জিম্বাবুয়ে সফরের জন্য শক্তিশালী ও তরুণে ভরপুর দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া।
আসন্ন এই সফরে জিম্বাবুয়েতে তিনটি এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে অজিরা। সবশেষ বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বিশ্রামে থাকা ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ ও জশ হ্যাজলউড এই স্কোয়াডে ফিরেছেন। তবে পেসার প্যাট কামিন্স ও মিচেল স্টার্ককে শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেই রাখা হয়েছে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে।
বাংলাদেশের বিপক্ষে বাজে পারফরম্যান্সের কারণে বাদ পড়া লাবুশেনের শূন্যস্থান পূরণে এবং ভবিষ্যতের দল গঠনের কথা মাথায় রেখে স্কোয়াডে সুযোগ দেওয়া হয়েছে কুপার কনোলি, অলি পিক ও জো ডেভিসের মতো উদীয়মান তারকাদের।
আসন্ন এই সফর এবং দল নির্বাচন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশনের গুরুত্ব তুলে ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন। জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকায় আগামী বছরের শেষ দিকে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে স্মরণ করিয়ে দিয়ে জর্জ বেইলি বলেন, ‘আমি মনে করি এটি আমাদের জন্য একটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ সফর। জিম্বাবুয়ে এবং দক্ষিণ আফ্রিকা সেখানেই আগামী বছরের শেষের দিকে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। তাই আমরা এর থেকে কার্যকরভাবে ১২ থেকে ১৪ মাস দূরে আছি এবং এই সময়ে সীমিত ওভারের সুযোগগুলো বেশ সীমিত।’
আগামী বছরের বিশ্বকাপ মুকুট ধরে রাখার লক্ষ্য এবং বাংলাদেশের বিপক্ষে সাম্প্রতিক ধাক্কা থেকে শিক্ষা নিয়ে অজিরা যেভাবে অভিজ্ঞ ও তারুণ্যের এক ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড সাজিয়েছে, তাতে তাদের পরিকল্পনা বেশ স্পষ্ট।
মেসির অবসর নিয়ে আবেগঘন বার্তা ইনফান্তিনোর