ঢাকায় শুরু হচ্ছে প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের প্রদর্শনী

প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও প্যাকেজিং প্রযুক্তিবিষয়ক পণ্যের প্রদর্শনী নিয়ে ঢাকায় শুরু হচ্ছে ১১তম বাপা ফুডপ্রো ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬। রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) তিনদিনব্যাপী এই মেলা শুরু হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সোবহানবাগে বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। বাপা এবং রেইনবো এক্সিবিশন অ্যান্ড ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড (রিমস) যৌথভাবে প্রদর্শনীটি আয়োজন করছে। সংবাদ সম্মেলনে বাপার সভাপতি মাহবুব আনাম, সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ মুহাম্মদ শোয়াইব হাছান, এক্সপো আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী আহসান খান চৌধুরী সহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানান, তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে এবং এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। মেলায় বিভিন্ন খাদ্যপণ্য প্রদর্শনের পাশাপাশি কারিগরি অধিবেশন, সেমিনার ও ব্যবহারিক কার্যক্রমে এ খাতের শিল্পোদ্যোক্তা, বিশেষজ্ঞ ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এবারের প্রদর্শনীতে ২৭টি দেশের দুই শতাধিক ব্র্যান্ড অংশ নেবে। তিন দিনে প্রদর্শনীতে ২৪ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রক্রিয়াজাতকরণ, ফিলিং, প্যাকেজিং, কোডিং ও মার্কিং, লেবেলিং, মান পরিদর্শন, গুদামজাতকরণ, কোল্ড চেইন এবং লজিস্টিকসের আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করবে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে আলজেরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, হংকং, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, ইতালি, জাপান, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, পোল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, সুইজারল্যান্ড, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, তুরস্ক, স্পেন, সুইডেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

বাপার সভাপতি মাহবুব আনাম বলেন, ‘দেশের কৃষিপণ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রদর্শনী উদ্যোক্তাদের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগ, উৎপাদন ও রপ্তানি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

এক্সপো আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান ও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী আহসান খান চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান ব্যবসায়িক অনিশ্চয়তা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে উৎসাহিত করছে। উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ থেকে প্যাকেজিং, গুদামজাতকরণ ও লজিস্টিকস পর্যন্ত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই কার্যক্রম গড়ে তুলতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’