ইউপি ভবনের ছাদে কাশবন, নষ্ট হচ্ছে কোটি টাকার স্থাপনা

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার ৮ নম্বর ভাওরখোলা ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের ছাদে গজিয়ে উঠেছে কাশবন ও নানা ধরনের আগাছা। দীর্ঘদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবে সরকারি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত স্থাপনাটি ধীরে ধীরে অকেজো হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ছাদে বড় বড় কাশবন ও আগাছা জন্মেছে। ছাদের বিভিন্ন অংশে ময়লা-আবর্জনাও পড়ে রয়েছে। শুধু ছাদ নয়, পরিষদের দেয়ালের পাশেও গাছের বড় বড় ডালপালা পড়ে আছে। এতে ভবনের দেয়ালও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এ ছাড়া পরিষদের স্যানিটেশন ব্যবস্থাও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা না থাকায় সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটি ধীরে ধীরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। 

পরিষদে সেবা নিতে আসা আলগী গ্রামের শফিক বলেন, ‘এখানে যারা বসে অফিস করেন, তাদের বুঝি ছাদের দিকে তাকানোর সময় নেই। নিজের বাড়ি হলে এমন আজেবাজে গাছ তো দূরের কথা, ছাদের ওপর একটি দুর্বল ঘাসও থাকতে দিতেন না।’

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা নাজমুলের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন সেবাগ্রহীতা। তাদের অভিযোগ, তাকে অনেক সময় নির্ধারিত সময়ে অফিসে পাওয়া যায় না। এ ছাড়া ওয়ারিশ সনদ ও জন্মসনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

পরিষদের দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতা ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়ে জানতে চাইলে ৮ নম্বর ভাওরখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি গ্রাম পুলিশ পাঠাচ্ছি, তারা গিয়ে দেখে আসবে। নিউজ করার দরকার নেই।’