আজ ভারত চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশের

চ্যাম্পিয়ন হতে হলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকেই হারাতে হবে। আজ দুবাইয়ে নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে সে চ্যালেঞ্জের সামনে বাংলাদেশের নারী দল। লড়বে টুর্নামেন্টে সবচেয়ে সফল দল ভারতের বিপক্ষে। শক্তি ও অভিজ্ঞতায় নিগার সুলতানা জ্যোতিদের থেকে অনেক এগিয়ে হারমানপ্রীত কউরের দল।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। ব্যাটিংয়ে খুব বড় সংগ্রহ গড়তে না পারলেও বোলারদের দারুণ নৈপুণ্যে ৩৪ রানের জয় পায় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। সেই ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন শারমিন আক্তার সুপ্তা। দল যখন দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে, তখন তিনি ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন।

আমিরাতের বিপক্ষে জয়ের পর ভারতের সঙ্গে সেমিফাইনাল নিয়ে সুপ্তা বলেন, ‘আমার মনে হয়, মাঝেমধ্যে চাপ থাকবে, যদি সেভাবে ভাবেন আরকি। আমাদের জন্য ব্যাপারটা আনন্দের। আমরা ভারতের মতো দলের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পাচ্ছি, তারা শীর্ষ দল। যদি চ্যাম্পিয়ন হতে চান, তাহলে এমন দলের বিরুদ্ধে খেলতে হবে। ফলে ব্যাপারটা আনন্দের, চাপের না।’

মেয়েদের এশিয়া কাপের সবচেয়ে সফল দল ভারত। এখন পর্যন্ত এই টুর্নামেন্টে ৯ বারের মধ্যে সাতবারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারা। ব্যাটিং, বোলিং ও অভিজ্ঞতা সব দিক থেকেই বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে দলটি। দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যানেও ভারতের আধিপত্য স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ১৮ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল, ১৭টিতেই জিতেছে তারা। জ্যোতিদের জয় মাত্র ১টি। তবে বাংলাদেশের জন্য সুখের স্মৃতিও আছে। ওয়ানডে সংস্করণে হওয়া ২০১৮ সালের নারী এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়েই প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্টের শিরোপা জেতে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

এবার বাংলাদেশের মূল শক্তি বোলিং বিভাগে। বিশেষ করে স্পিননির্ভর আক্রমণ দিয়ে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখতেই চাইবে তারা। তবে ব্যাটিং নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকছেই। আমিরাতের বিপক্ষে শুরুতেই কয়েকটি উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষেও বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে এখানে।

পাশাপাশি দুবাইয়ের উইকেট নিয়েও পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন সুপ্তা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ব্যাটারদের জন্য আরও ভালো উইকেট চান এই ব্যাটার, ‘আসলে সেভাবে না (সন্তুষ্ট না)। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবাই চার-ছক্কা দেখতে চায়। বাউন্ডারি দেখতে চায়। তারা এসব দেখতেই আসে। সেগুলো এনে দিতে হলে (ভালো পিচ দরকার)। তবে খেলোয়াড় হিসেবে তো মানিয়ে নিয়ে খেলতেই হবে।’