ইন্দোনেশিয়ার মাটিতে আসন্ন ফিফা আসিয়ান কাপের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। কোচ টমাস ডুলির ছাঁটাইয়ের খাঁড়ায় পড়ে ইতোমধ্যে প্রাথমিক স্কোয়াড থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ছয় ফুটবলারকে।
ঘরোয়া লিগের পরীক্ষিত মুখ থেকে শুরু করে ভিনদেশি পাঠ চুকিয়ে আসা উদীয়মান প্রবাসীরাও এই কোপানল থেকে রক্ষা পাননি। ইন্দোনেশিয়ার ফ্লাইট ধরার ঠিক আগমুহূর্তে কোচের এই কঠোর সিদ্ধান্তে দলের ভেতর ও বাইরে শুরু হয়ে গেছে নতুন হিসাব-নিকাশ।
ঘরোয়া লিগের ২৮ জন পারফর্মারকে নিয়ে শুরু হওয়া অনুশীলন ক্যাম্প থেকে ধীরে ধীরে ডালপালা ছাঁটতে শুরু করেছেন ডুলি। এই ধারাবাহিকতায় জাতীয় দলের প্রাথমিক স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন ইসা ফয়সাল, কাজেম শাহ, তাজ উদ্দিন, রাহুল এবং দুই প্রবাসী ফুটবলার ইয়াসিদ তাহমিদ ও দেবজিৎ সরকার। এর মধ্যে ফয়সাল একসময়ের পরীক্ষিত ফুলব্যাক হলেও নতুন কোচের মন জয় করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
এদিকে সান মারিনো সফরে আলো ছড়ানোয় সুযোগ পাওয়া কাজেম ও তাজ উদ্দিনও চূড়ান্ত তালিকায় নিজেদের জায়গা ধরে রাখতে পারেননি। তবে সবচেয়ে বড় চমক ছিল দুই প্রবাসী ফুটবলার ইয়াসিদ ও দেবজিতের বিদায়।
দলের এই রদবদল নিয়ে জাতীয় দলের ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবু জানান, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রাথমিক দল সংক্ষিপ্ত হয়। স্বাভাবিক সেই প্রক্রিয়ায় ইয়াসিদ তাহমিদ, দেবজিত সরকার, ইসা ফয়সাল, কাজেম শাহ, তাজ উদ্দিন ও রাহুল বাদ পড়েছেন। আরেকজনকে বাদ দেবেন আজকের অনুশীলনের পর। তবে ইন্দোনেশিয়ায় তিনি কয়জন নিয়ে যাবেন সেটা এখনও জানাননি।’
বাদ পড়া ফুটবলারদের মধ্যে ইতোমধ্যে কাজেম, ইসা ও তাজ টিম হোটেল ছেড়ে যার যার ঠিকানায় ফিরে গেলেও স্কোয়াডের বাকি প্রক্রিয়া এখনও চলমান। তবে প্রবাসী গোলরক্ষক সাইফ নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে আপাতত কোচের আস্থার জায়গায় টিকে গেছেন।
আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর জাকার্তার বিমান ধরার আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি শাণিয়ে নিতে ফর্টিজ এফসির বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচে নামবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।