স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বললেন

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই

কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দলটির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর নির্বাচনে অংশ নেওয়া বা কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের অধিকার নেই।

গতকাল শুক্রবার সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ একটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন। তাদের দলীয় কর্মকা- চালাতে দেওয়া কিংবা নির্বাচনে অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে আমরা বিব্রতবোধ করি। আইন অনুযায়ী তাদের কোনো সভা-সমাবেশ করা বা দলীয় কার্যালয় খোলার সুযোগ নেই। যদি তারা আইন অমান্য করে, তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত স্বৈরাচারী শাসনের সময় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচন ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান ম্যান্ডেটÑ স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা। এ বাবদ বাজেটে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও তিনি জানান। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইনি পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংশোধিত আইন অনুযায়ী এবার দলীয় মনোনয়ন বা জাতীয় প্রতীক (যেমন ধানের শীষ) ব্যবহারের সুযোগ থাকছে না। নির্বাচন হবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ এবং সাধারণ প্রতীকে।

তবে মাঠপর্যায়ে দলের চেইন অব কমান্ড ঠিক রাখতে বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোনো ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থী থাকলে স্থানীয় পর্যায়ে সমঝোতার চেষ্টা করা হবে, অন্যথায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও তিনি জানান।