প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফিরে এলে জামায়াত নেতাদের খুব একটা আপত্তি নেই। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশের জনগণ আওয়ামী লীগের রাজনীতি আর কোনোভাবেই মেনে নেবে না। তার মতে, জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা করেই রাজধানীর গুলশানসহ বিভিন্ন স্থানে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ বিক্ষোভ মিছিল করার সাহস দেখিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রেখেই হয়ত তারা মাঠ নামার সাহস পাচ্ছে। ১৯৯৬ সালেও আওয়ামী লীগ জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল। এবারও জামায়াতের আশকারা পেয়েই তারা আন্দোলন করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে ঝিনাইদহে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান আরও বলেন, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান—সবক্ষেত্রেই বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী এতে জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাই বিএনপি ফ্যাসিবাদবিরোধী সব পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে চায়। কিন্তু জামায়াত ও এনসিপি ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করছে।
এর আগে তিনি ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসন আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র্যালিতে অংশ নেন। এসময় জেলা বিএনপির সভাপতি এমএ মজিদ, সহ সভাপতি মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস সহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।