ডেঙ্গু প্রতিরোধে পটুয়াখালীতে রেড ক্রিসেন্টের উদ্যোগ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে সচেতনতামূলক প্রচারের অংশ হিসেবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পটুয়াখালী ইউনিট। এ সময় ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয় তুলে ধরে সাধারণ মানুষদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালী লঞ্চঘাট এলাকা থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়। পরে সদর রোডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রচার চালানো হয়। একই সঙ্গে পটুয়াখালী কালেক্টর স্কুল এলাকায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা।

এরপর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়। লিফলেটে ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা এবং জমে থাকা পানি অপসারণের বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।

কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির পটুয়াখালী ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাফিজুর রহমান হীরা ও রেড ক্রিসেন্ট যুব ইউনিটের সদস্যরা।

সৈয়দ হাফিজুর রহমান হীরা বলেন, রেড ক্রিসেন্ট সব সময় আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে থাকে দেশের এই সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে আমরা আজকে লিফলেট ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করেছি। আমাদের এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পটুয়াখালীর সবাইকে এই ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতন হওয়ার জন্য আহ্বান জানায়।

রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। বাড়ির ছাদ, বারান্দা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ডাবের খোসা কিংবা যেকোনো স্থানে পানি জমে থাকলে সেখানে এডিস মশা বংশবিস্তার করতে পারে। তাই নিয়মিত এসব স্থান পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি অন্যদেরও সচেতন করতে হবে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা তৈরিতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে পটুয়াখালী রেড ক্রিসেন্ট ইউনিট।