শিমুলিয়াঘাটে পর্যটনকেন্দ্রে হামলা ভাঙচুর, আহত ১৫

জুস দিতে বিলম্ব হওয়ায় মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার পদ্মা তীরের পর্যটনকেন্দ্র শিমুলিয়াঘাটের হোটেল-রেস্তোরাঁয় হামলা ও ভাঙচুর করার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় হোটেল ব্যবসায়ী-কর্মচারী ও পর্যটকসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে অন্তত ছয়টি রেস্তোরাঁ ও ফাস্টফুডের দোকান।

জানা গেছে, গত শনিবার রাতে উপজেলার গোয়ালীমান্দ্রা ও খড়িয়া গ্রামের বেদে সম্প্রদায়ের সংঘবদ্ধ একটি গ্রুপ এ হামলা চালায়। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শনিবার দিনগত রাত ১০টার দিকে পদ্মাতীরের শিমুলিয়াঘাটের একটি ফাস্টফুড ও জুসের দোকানে বেদে সম্প্রদায়ে চার থেকে পাঁচজন এসে জুসের অর্ডার দেন। জুস পরিবেশনে বিলম্ব হওয়ায় রেঁস্তোরার কর্মচারীদের সঙ্গে কাটাকাটির এক পর্যায়ে তাদের হাতাহাতি বাঁধে। বিষয়টি স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক মীমাংসা করে দেয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর ঘন্টাখানেক পরে উপজেলার গোয়ালীমান্দ্রা ও খড়িয়া গ্রামের বেদে সম্প্রদায়ের শতাধিক লোকজনের একটি গ্রুপ ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও লোহার রডসহ শিমুলিয়াঘাটে হামলা চালায়। এ সময় উত্তেজিত বেদে সম্প্রদায়ের লোকজন একের পর এক হোটেল- রেস্তোরাঁয় ভাঙচুর ও উপস্থিতদের মারধর শুরু করে।

পদ্মা সেতু উত্তর থানার ওসি আকতার হোসেন জানান, রাতেই খবর পেয়ে লৌহজং থানা, পদ্মা সেতু উত্তর থানা, শ্রীনগর থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।