গাইবান্ধা সদর উপজেলায় সাদিয়া আক্তার (১৩) নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এরআগে রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার বোয়ালি ইউনিয়নের মধ্য রাধা কৃষ্ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থী সাদিয়া আক্তার ওই গ্রামের সালাম মিয়ার মেয়ে। সে জেলা শহরের আহম্মেদ উদ্দিন শাহ শিশু নিকেতন স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।
পরিবারের দাবি, সন্ধ্যার দিকে সাদিয়া তার মায়ের কাছে ব্যবহারের জন্য মোবাইল ফোন চায়। তবে তার মা ফোন দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে মায়ের সাথে অভিমান করে নিজ শয়ন কক্ষে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নেয়। সন্ধ্যা পেরিয়ে গেলে পরিবারের লোকজন সাদিয়াকে ঘরের দরজা খুলতে বলে। কোন সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পায়। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়বাসিন্দা আতোয়ার রানা বলেন সাদিয়া এর আগেও একবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিল। সে সময় তাকে রংপুর মেডিকেলে নেওয়া হয়েছিল। আমাদের ধারণা মোবাইল না পেয়ে মায়ের সাথে অভিমান করে সে আত্মহত্যা করেছে।
গাইবান্ধা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমঙ্গল কুমার দাস জানান, মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।