ফোন ও মানিব্যাগের জন্য ছুরিকাঘাত, প্রাণ গেল সজীবের

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ছুরিকাঘাতে আহত সজীব (২২) মারা গেছেন। ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিহত সজীবের মামাতো বোন শারমিন আক্তার জানান, পরিবারের সঙ্গে মিরপুর-১০ নম্বর সেকশনের ৫ নম্বর ওয়াবদা এলাকায় থাকতেন সজীব। তিনি মিরপুর-১০ এলাকায় একটি পোশাক বিক্রির দোকানে কাজ করতেন।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোরে কাইল্লার বস্তির মোড়ে বাইল্লা জুয়েল, জয় ও আরও ৩-৪ জন সজীবকে ধরে তার ফোন ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে তাদের হাত থেকে ছুটে দৌড়ে পালানোর সময় পেছন থেকে সজীবের পিঠে ছুরিকাঘাত করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের।

রক্তাক্ত অবস্থায় সজীব বাসার কাছে চলে যান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে বুধবার সন্ধ্যায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, সজীবও মাদকাসক্ত ছিলেন। তবে ওই ভোরে ফোন ও টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ। এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন স্বজনরা।

পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাশেদুল ইসলাম স্বাধীন জানান, পরিবারের কাছ থেকে জানা গেছে, বুধবার ভোরে কাইল্লার মাঠ এলাকায় কয়েকজন সজীবের পিঠের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ফোন ছিনতাইয়ের জন্যই এ ঘটনা ঘটেছে বলে পরিবার দাবি করেছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন জয় এবং সোমবার সকালে জুয়েল নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।