শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) ডিবেটিং সোসাইটির উদ্যোগে ও মেইনস্ট্রিম জেন্ডার ইকুয়ালিটি ইন একাডেমিয়া (ম্যাজেন্ডা) প্রকল্পের সহযোগিতায় আন্তঃহল বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষ হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিতর্কের মাধ্যমে মুক্তচিন্তা, যুক্তিনির্ভর আলোচনা ও শুদ্ধ কথা বলার দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি সমাজে লিঙ্গসমতা, অন্তর্ভুক্তি ও সমতার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সেমিনার রুমে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে নবাব সিরাজ-উদ-দ্দৌলা হলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস হয় বিশ্ববিদ্যালয়টির বেগম রোকেয়া হল।
শেকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এ্যাব) এর আহ্বায়ক কৃষিবিদ ড. কামরুজ্জামান কায়সার, শেকৃবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবুল বাশার এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব বলেন, এখন আমরা সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের কথা বলছি। অনেক ক্ষেত্রে আমরা জানি না সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্টের সংজ্ঞাটা কী বা এই সীমারেখাটা কোথায়? আমি কতটুকু বললে সেটা সীমা অতিক্রম করে গেলাম।
এই বিষয়গুলো সম্পর্কে অনেক বেশি ওয়ার্কশপের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, আমরা আসলে চাচ্ছি জেন্ডার সেনসিটিভ ক্যাম্পাস। যে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীরা মনের আনন্দে পড়াশোনা করবে। কোনো ধরনের হ্যারাসমেন্ট থাকবে না, কোনো ধরনের বুলিং থাকবে না, কোনো রকম র্যাগিং থাকবে না। এখানে আমাদের যে নারী শিক্ষার্থী আছে তারা শুধু এ বিষয়ে সচেতন হবে তা কিন্তু না, মেল শিক্ষার্থী যারা আছে, তাদেরকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। এছাড়াও ডিবেটে বিজয়ী নারী টিম কেও অভিনন্দন জানান তিনি।