বিপিএলে দুর্নীতির অভিযোগে আরো দুজনকে নিষিদ্ধ করলো বিসিবি

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দুটি আসরকে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইসিসির অ্যান্টি-করাপশন কোডের একাধিক ধারা ভঙ্গের অভিযোগ এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

আজ বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) তদন্তের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক কর্ণধার আবদুল কাইয়ুম রাশেদ এবং সাবেক টিম কর্মকর্তা (অপারেশন/ম্যানেজার) আমিন খানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

বিসিবির তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগগুলো বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১১তম ও ১২তম আসর-সংক্রান্ত। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাচের ফল বা ম্যাচের কোনো দিক অনিয়মের মাধ্যমে প্রভাবিত করার চেষ্টা, দুর্নীতিমূলক প্রস্তাব বা যোগাযোগের তথ্য যথাসময়ে প্রকাশ না করা, অ্যান্টি-করাপশন তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্তে বাধা বা বিলম্ব সৃষ্টি করার অভিযোগ।

আবদুল কাইয়ুম রাশেদের বিরুদ্ধে আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোডের ২.১.১, ২.৪.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ম্যাচের ফল, অগ্রগতি বা অন্য কোনো দিক অনিয়মের মাধ্যমে প্রভাবিত করার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা এবং দুর্নীতির প্রস্তাব পাওয়ার তথ্য গোপন করার অভিযোগ রয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে নিজের ব্যবহৃত প্রধান মোবাইল ফোন দিতে ব্যর্থ বা অস্বীকৃতি জানানোর অভিযোগও রয়েছে।

অন্যদিকে আমিন খানের বিরুদ্ধে ২.১.১, ২.১.৪, ২.৪.৬ ও ২.৪.৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ম্যাচে অনিয়মের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের পাশাপাশি কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে উৎসাহিত বা সহায়তা করার অভিযোগ রয়েছে। তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং তদন্ত-সংশ্লিষ্ট যোগাযোগ বা তথ্য গোপন, নষ্ট বা ধ্বংস করে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

বিসিবি জানিয়েছে, দুই অভিযুক্তকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অভিযোগের নোটিশ পাওয়ার পর নিজেদের বক্তব্য দেওয়ার জন্য তারা ১৪ দিন সময় পাবেন। এরপর আইসিসি অ্যান্টি-করাপশন কোড অনুযায়ী শৃঙ্খলাবিষয়ক প্রক্রিয়া এগিয়ে যাবে।