লংমার্চ

বগুড়ায় সবচেয়ে বড় জনসমাবেশ ঘটাতে চায় ১১ দল

জামায়াতের নেতৃত্বে আগামীকালের লংমার্চ সফল করতে বগুড়ায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে ১১দলীয় ঐক্য। শহরতলীর মাটিডালিতে পথসভার মঞ্চ তৈরির কাজ চলছে পুরোদমে।

চারিদিকে চলছে মাইকিং। নেতৃবৃন্দ আশা করছেন বগুড়ার পথসভায় স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি লোকসমাগম ঘটবে। ৯দফা দাবীতে বিরোধী দলের ডাকা লংমার্চের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হচ্ছে আগামীকাল শনিবার।

ঢাকা থেকে সড়ক পথে লংমার্চের বহর বগুড়ার ওপর দিয়ে রংপুরে গিয়ে জনসভার মাধ্যমে শেষ হবে। পথিমধ্যে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এবং বগুড়ার মাটিডালি বিমান মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে।

বগুড়ার পথসভায় স্মরণকালের সবচেয়ে বড় জনসমাবেশে পরিনত করতে বিরামহীনভাবে কাজ করছেন জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, খেলাফত মজলিসসহ ১১দলের নেতাকর্মীরা। ১১ দলীয় ঐক্যের লং মার্চ সফল করতে বগুড়ার  নেতাকর্মীরা বিরামহীন ভাবে কাজ করছেন। লংমার্চের পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য লিফলেট বিতরণ, সভা-সমাবেশ আয়োজনের পাশাপাশি দফায় দফায় ১১ দলের নেতারা প্রস্তুতি সভা করেছেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বগুড়া মহানগর শাখার আমির অধ্যক্ষ আবিদুর রহমান সোহেল বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে গণভোটের রায়কে অস্বীকার করার মাধ্যমে জনগণের নিকট প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিশেষ করে বগুড়ার মানুষ অনেক স্বপ্ন নিয়ে বিএনপিকে ভোট দিলেও তারা এখন হতাশ।

প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ছুটালেও বাস্তবে বগুড়ার মানুষ এখনো দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখতে পায়নি। সেই সাথে বিদ্যুৎ, গ্যাস সংকট এবং সার বিতরণে অনিয়মের কারনে সাধারন মানুষ সরকারের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। এজন্য তারা বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচিকে স্বাদরে গ্রহণ করেছে। শনিবারের লংমার্চে স্মরণকালের সেরা উপস্থিতির মাধ্যমে বগুড়ার মানুষ সরকারের প্রতি তাদের অনাস্থার জানান দিবে।

বগুড়ায় লংমার্চের প্রস্তুতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লংমার্চের গাড়ীর বহরকে বগুড়ার প্রবেশমুখ চান্দাইকোনায় স্বাগত জানানো হবে। পথিমধ্যে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে সাধারন মানুষ লংমার্চকে বরণ করবে। এরপর বিকেল ৩টায় মাটিডালি বিমান মোড়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। পথসভায় অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে বেশি লোকসমাগম ঘটবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।